এম এ ওয়াহিদ রুলু,কমলগঞ্জঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে রাজকান্দি হিল রিজার্ভ ফরেস্টে (২০,২৭০ একর) গাছ ও টিলা কাটার পাশাপাশি অনুমতি ছাড়া পাকা স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—কুরমা ও কালেঞ্জি এলাকায় বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তার সমঝোতায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে শতাধিক পাকা ঘর তৈরি হলেও সাঙ্গাইসাফীতে এক নিরীহ ভিলেজারের কাঁচা ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে।
২০১৮ সালের এক গবেষণায় বনটিতে ৫৪৯ প্রজাতির সপুষ্পক উদ্ভিদ ও বিরল বটগাছ-লতার বৈচিত্র্যের কথা উল্লেখ থাকলেও সাম্প্রতিক বছরে নির্বিচারে বন ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে।

কুরমা পান পুঞ্জিতে টিলা ও গাছ কেটে ১৫-২০টি পাকা ঘর নির্মাণ চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। বনবিট কর্মকর্তা জুয়েল রানা এবং রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ জানান—পাকা স্থাপনা নির্মাণে কোনো অনুমতি নেই এবং বিষয়টি তদন্ত করে কাজ বন্ধ রাখতে মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি—বন রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা ও অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561
© সময়ের আবর্তন ২০২০ - ২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত