এম এ ওয়াহিদ রুলু,কমলগঞ্জঃ স্থানীয়দের অভিযোগ সত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে অন্তত ৫টি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি—কোন দাগ ও মৌজায় কত বনভূমি দখল হয়েছে, কতটুকু এলাকায় পান জুম রয়েছে, এসব জায়গা কখন এবং কীভাবে ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে, বনজ সম্পদ কাটার সঙ্গে কারা জড়িত এবং অর্থ লেনদেনের কোনো প্রমাণ রয়েছে কি না।
একই সঙ্গে উচ্ছেদ করা জমি পুনরায় দখল ঠেকাতে সেখানে বন বিভাগের নজরদারি ও পুনর্বনায়নের ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটিও দেখতে হবে।
কারণ বনভূমি দখলমুক্ত করার পর একই জায়গা আবার দখলে চলে গেলে উচ্ছেদ অভিযান কেবল সাময়িক সমাধান হয়। আর অভিযোগের পেছনে যদি কোনো সংঘবদ্ধ দখলচক্র বা অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে শুধু পান জুম উচ্ছেদ নয়—দখলের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
এই প্রতিবেদনে স্থানীয়দের উত্থাপিত বনভূমি দখল, অর্থ লেনদেন ও কাঠ পাচারের অভিযোগগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে।
৬ হাজার একর পান জুমের দাবি সরকারি বা স্বাধীন জরিপে যাচাই করা হয়নি এবং অর্থ লেনদেন/কাঠ পাচারের অভিযোগের পক্ষে এই প্রতিবেদনের জন্য প্রামাণ্য নথি পাওয়া যায়নি।
অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561
© সময়ের আবর্তন ২০২০ - ২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত