নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামে ঘুড়ি উড়ানোও কে কেন্দ্র করে সরদার গ্রুপ ও মুন্সি গ্রুপের লোকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষে মহিলাসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
আহতদের রাতেই উদ্বার করে লোহাগড়া হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (৪জুন) রাত ১২ টার দিকে উপজেলার মাটিয়ডাঙ্গা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্যার ছেলের সাথে ঘুড়ি উড়ানোও কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ ইউপি সদস্য কালাম মুন্সির ছেলের কথা কাটাকাটি হয়।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের মহিলারা ঝগড়া ও মারামারি করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর সমর্থিত নিয়ামত সরদার গ্রুপের সাথে কালাম মুন্সির গ্রুপের লোকের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ বিষয়টি নিয়ে মিমাংশার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে লুঠিয়া বাজারে উভয় পক্ষের লোকজন শালিশ বৈঠকে বসার কথা ছিল।
কিন্ত উভয় পক্ষের লোকজন শালিশ বৈঠকে না বসে রাত ১২ দিকে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দু’গ্রুপে ঢাল,সড়কি রাম দা,ইট পাটকেল নিয়ে ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মিজানুর মুন্সি,ইজাজুল মুন্সি,আজিজুল মুন্সি, হানিফ সরদার,খাজা সরকার,আজাদ সরদার,রবিউল ইসলাম,বাচ্চু মোল্যা, আহাদ মোল্যা, রাফেজা বেগম,আমেনা বেগম,সিমা খানম ও সাইদুর সরদার আহত হয়। এ সময় ৮/১০টি বাড়ীঘর ভাংচুর করা হয়।
মাতুব্ব ইউপি সদস্য কালাম মুন্সি বলেন,ছোট বাচ্চরা ঘুড়ি উড়ানোও কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এসব বিষয় নিয়ে মিমাংশার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে মাতুব্বরা উভয় পক্ষের লোকজন শালিশ বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্ত শালিশ বৈঠক না বসে নিয়ামত সরদারের লোকজন লাঠিসোডা নিয়ে হামলা করে। তবে নিয়ামত সরদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন,খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561
© সময়ের আবর্তন ২০২০ - ২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত