গত ৪ আগষ্ট লোহাগড়ার কুন্দসী চৌরাস্তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হামলার ঘটনায় ১’শ ৩৫ জনকে আসামী করে গত ৭ নভেম্বর জাহিদুল আলম বাদী হয়ে নড়াইলের বিজ্ঞ আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করতে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দেয়। ১৩ নভেম্বর মামলাটি রেকর্ডভূক্ত করা হয়।
সুত্রে জানা যায়, লোহাগড়া থানার এসআই সৈয়দ আলী মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠি-সোটা হাতে থাকা হামলাকারীদের ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও আসামীদের গ্রেফতারে তেমন অগ্রগতি না হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা ও জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়েছে।
অদৃশ্য কারনে পুলিশের নাকের ডগায় আসামীরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা ও সরকারী-বেসরকারীসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আসামীদের সরব উপস্থিতিতে পুলিশের ওপর আস্থার সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার বিভিন্ন দোকানের চায়ের আড্ডায় আসামীদের মুখে শোনা যায়, তারা পুলিশকে বিশেষ ব্যবস্থায় ম্যানেজ করে গ্রেফতার এড়িয়ে চলছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আশিকুর রহমান বিষয়টি অ-স্বীকার করে বলেন, আসামীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561
© সময়ের আবর্তন ২০২০ - ২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত