শাহরিয়ার মিল্টন ,শেরপুর : শেরপুর-১ (সদর) আসনের সাবেক এমপি শাহ মো. রফিকুল বারী চৌধুরী ওরফে রফিক চৌধুরীর (৭৮) দাফন সম্পন্ন হয়েছে । শনিবার ((১৬ আগস্ট)) সকালে কামারেরচর এলাকার চৌধুরী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে প্রথম নামাজে জানাযা ও জামালপুর আমলাপাড়া নিজ বাসভবনের সামনে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে আমলাপাড়া পারিবারিক কবর-’ানে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
প্রথম নামাজে জানাযায় মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে -্মৃতি চারণমূলক বক্তব্য রাখেন শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম,সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ পলাশ, জেলার সাবেক আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হযরত আলী, শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি ইলিয়াস উদ্দিন ,দৈনিক তথ্যধারা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান এটম, ইত্তেফাকুল উলামার সভাপতি মাওলানা আজিজুর রহমান বড় হুজুর প্রমূখ।
রফিক চৌধুরী শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে জামালপুর শহরের বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। তিনি শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর এলাকার চৌধুরী বাড়ির মরহুম শাহ আব্দুর রহিম চৌধুরী ওরফে সুরুজ চৌধুরীর ছেলে। তিনি -্ত্রী, তিন ছেলে, এক মেয়ে রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি জটিলতা ও ডায়াবেটিস রোগে ভুগছিলেন।
রফিক চৌধুরী জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে নির্বাচন করে ১৯৮৬, ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর পর তিনবার শেরপুর সদর আসনের এমপি নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও শেরপুর জেলার সভাপতি ছিলেন।
রফিক চৌধুরী ছিলেন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও সমাজসেবক। তার নেতৃত্বে এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে এবং অনেক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।
এলাকায় তিনি একজন দানশীল ব্যক্তি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুসহ বিভিন্ন রাজনীতিক,সামাজিক সাং-্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561
© সময়ের আবর্তন ২০২০ - ২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত