শাহরিয়ার মিল্টন,শেরপুর : শেরপুরে কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া কলা চাষের উপযোগী। শেরপুর সদর, শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকাতে কলা চাষ হচ্ছে।
একবার কলার চারা রোপণে ২৪ মাসে তিনবার ফলন পাওয়া যায়। অল্প শ্রম ও কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় অন্য ফসলের তুলনায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে কলা চাষের পরিধি।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বছর শেরপুরে ৬৬০ হেক্টর জমিতে কলাচাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও ইতোমধ্যে তা ছাড়িয়ে ৯৪৩ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে।শেরপুর সদরের যোগনীবাগ গ্রামে প্রায় ৫শ' কৃষক বিভিন্ন জাতের কলা চাষ করেছেন। বিঘা প্রতি খরচ হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
যেখান থেকে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার কলা বিক্রি করছেন কৃষক। সব খরচ বাদে বিঘা প্রতি লাভ হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।
কলাচাষি ও বিক্রেতারা জানান, শেরপুরের কলার স্বাদ ও গুনগতমান ভালো হওয়ায় চাহিদা বেশি। তাই শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার চৌকিদার বাড়ি মোড়ের কলার হাট থেকে দৈনিক বিপুল পরিমাণ কলা বিক্রি হয়। শেরপুরের চাহিদা মিটিয়ে অন্তত ২০টি জেলায় বিক্রির জন্য যাচ্ছে এই জেলার কলা।
শ্রীবরদীর কলাচাষি মুনসর আলী বলেন, এবার আমি ১ হাজার ২শ কলার গাছ রোপণ করেছি। যেখান থেকে অন্তত ৬ লাখ টাকার মতো কলা বিক্রি করা যাবে। অন্য ফসল থেকে কলা চাষে বেশি সাফল্য আসছে, তাই কৃষক কলাচাষের প্রতি আগ্রহ বাড়াচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে উচ্চফলনশীল জাত এবং আধুনিক কলাচাষে দেয়া হচ্ছে সব ধরনের সহায়তা।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জহির রায়হান
প্রধান কার্যালয়ঃ ১০৭ মতিঝিল বা/এ, ৯ম তলা, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ 01713-733969, 01924-665561
© সময়ের আবর্তন ২০২০ - ২০২৫ সর্বসত্ব সংরক্ষিত