কমলগঞ্জে ভানুগাছ বাজারে ডাস্টবিন পরিষ্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশিত: ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ , ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

এম এ ওয়াহিদ রুলু, কমলগঞ্জ: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ডাস্টবিন ও ড্রেন পরিষ্কার না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। পৌরসভার ভানুগাছ বাজারের ১০ নম্বর রোডে আলা-আমিন প্লাজার সম্মুখে স্থাপিত ডাস্টবিনটি নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়ায় আশপাশের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ডাস্টবিন থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বাজার এলাকায় অবস্থান করা ব্যবসায়ীরা দোকানে বসে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। এতে একদিকে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশও মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা জানান, শুধু একটি ডাস্টবিন নয়—পৌরসভার অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত প্লাস্টিকের ডাস্টবিনগুলো মাসে একদিনও নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। পাশাপাশি ভানুগাছ বাজারসহ আশপাশের একাধিক ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্গন্ধ আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।

১০ নম্বর রোডের স্টেশনারি ব্যবসায়ী সুমন, সার ব্যবসায়ী লেছি মিয়া এবং আলা-আমিন প্লাজার ব্যবসায়ী শায়েক আহমেদ চৌধুরী বলেন, “মার্কেটের সামনে একটি ডাস্টবিন রাখা হয়েছে, কিন্তু সেটি মাসেও একদিন পরিষ্কার করা হয় না। ময়লার তীব্র দুর্গন্ধে মানুষ নাকে রুমাল দিয়ে চলাচল করছে। আমরা দোকানে বসে ব্যবসা করতেও পারছি না।”

তারা আরও বলেন, “পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে আমাদের অনুরোধ—দ্রুত ভানুগাছ বাজারসহ পৌরসভার সব ডাস্টবিন ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”

এ বিষয়ে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে দেখা হবে কী করা যায়। আর বাজারের ডাস্টবিন পরিষ্কারের বিষয়টি দ্রুতই করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জনস্বার্থে প্রতিদিন ডাস্টবিন পরিষ্কার ও দ্রুত ড্রেনের ময়লা অপসারণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তারা পৌর প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর