• ময়মনসিংহ শীর্ষ সংবাদ
  • মদনের সেই কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষায় মাদ্রাসাশিক্ষকই বাবা

মদনের সেই কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষায় মাদ্রাসাশিক্ষকই বাবা

প্রকাশিত: ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ , ২৫ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মজিবুর রহমান,নেত্রকোণা: নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী কওমি মাদ্রাসা শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষায় মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই বাবা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল।

তিনি জানান, ডিএনএ প্রতিবেদনে মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরকে নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে প্রমাণিত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে মদনে তার নানার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। একপর্যায়ে অসুস্থতা ও শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে পরিবার।

পরে গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার পর গত ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতে রিমান্ড শেষে তার ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফ হোমে রাখা হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে গত ২৮ জুলাই সিআইডি নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে।

পরীক্ষার প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপনের পর মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই নবজাতকের বাবা হিসেবে শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এদিকে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের মাধ্যমে পিতৃত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য লিখুন