• আন্তর্জাতিক ইউরোপ
  • মানবতার পথচলায় পাঁচ বছর : গুইমারায় খগেন্দ্র–শান্তি ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ

মানবতার পথচলায় পাঁচ বছর : গুইমারায় খগেন্দ্র–শান্তি ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত: ৪:২১ পূর্বাহ্ণ , ২ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 6 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মানবতার আলো ছড়িয়ে পাহাড়ের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারে টানা পাঁচ বছর ধরে সেবাধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ‘খগেন্দ্র–শান্তি ফাউন্ডেশন’। খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. নয়ন ময় ত্রিপুরার বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত এ ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যেই শিক্ষা সহায়তা, বিনামূল্যের চিকিৎসা কার্যক্রম ও শীতবস্ত্র বিতরণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দুপুরে খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি ও তৈমাতাই মৌজার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত আট শতাধিক শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে পাহাড়ি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি।

গুইমারা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আরবাড়ী পাড়া, ছনখলা পাড়া, মাইরুং পাড়া, ধলিয়া পাড়া, নতুন পাড়া, পূর্ণবাসন, গাইভিংসা পাড়া, বাইল্যাছড়ি ৩ নং রাবার বাগান, নারায়ন পাড়া; ২ নং ওয়ার্ডের বাইল্যাছড়ি ২ নং রাবার বাগান, জড়িচন্দ্র পাড়া; ৩ নং ওয়ার্ডের তৈমাতাই ১, ২ ও ৩ নং রাবার বাগান, চৌক পাড়া, নোয়া পাড়া, খাগড়া পাড়া; ৭ নং ওয়ার্ডের কলা পাড়া, ৮ নং ওয়ার্ডের ক্যামরুং পাড়া, এবং ৯ নং ওয়ার্ডের ধনীরাম পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

এদিকে হাফছড়ি ইউনিয়নের রামসু বাজারে ১৩০টি পরিবার এবং ৮ নং ওয়ার্ড সাইংগুলি পাড়া, ৯ নং নারকে পাড়া, বরইতলি, কুকিছড়া, ধর্মগড় পাড়া, সুবলচন্দ্র পাড়াসহ একাধিক গ্রাম মিলে মোট ৮০০ পরিবারের মাঝে কম্বল পৌঁছে দেয় ফাউন্ডেশনটি।

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে ডা. নয়ন ময় ত্রিপুরা বলেন, “মানুষের মুখের হাসিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মানবতার এই যাত্রাকে আরও দীর্ঘ করতে ফাউন্ডেশন মানুষের কল্যাণেই কাজ করে যাবে।”

স্থানীয়রা জানান, পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক সেবামূলক উদ্যোগ পরিচালনার মাধ্যমে খগেন্দ্র–শান্তি ফাউন্ডেশন পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানবতার আলো ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের ভবিষ্যৎ অঙ্গীকার।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর