
মো: নজরুল ইসলাম,নোয়াখালীঃ ১৩ইডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকার সময় আমিশা পাড়া বাজার ঈদগা মাঠে আমিশা পাড়া ডিগ্রী কলেজের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ফ্রান্স প্রবাসী মোঃ ফারুকের সভাপতিত্বে ও আমিশ্বাপাড়া কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আরান চৌধুরীর সঞ্চালনায়,বহুল আলোচিত হৃদয়বিদারক তহিদুল ইসলাম তৌহিদ হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
উক্ত সমাবেশে উপস্থি ছিলেন সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির আহাব্বায়ক আনোয়ারুল হক কামাল, নোয়াখালী জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার হোসেন দিদার,সিনিয়র সহ-সভাপতি নোয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপি’র সদস্য, প্রফেসর আব্দুল,উপজেলা বিএনপির সদস্য নূর হোসেন লিটন, ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বাবলু, ৮ নং সোনাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম
এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন।নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার ১০নং আমিশা পাড়া ইউনিয়নের ভদ্র গাঁও গ্রামের বি এন পির আলোচিত নেতা সোনাইমুড়ি উপজেলার সাবেক যুগ্ন আহবায়ক তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৪ইং ঢাকা প্রেসক্লাবে বিএনপি’র দলীয় সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হওয়ার মুহূর্তে ঢাকা প্রেসক্লাবের মূল পটক থেকে RAB পরিচয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে যায়।
তহিদুল ইসলামের সাথে থাকা দলীয় কর্মী কামরুল ইসলাম মুন্সী বিষয়টি বুঝতে পেরে তৎক্ষণাৎ চাটখিল সোনাইমুড়ীর সাবেক এমপি ব্যারিস্টার মাহবুবুল হক খোকনকে অবহিত করলে ব্যারিস্টার মাহবুবুল হক খোকন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল দপ্তরে যোগাযোগ করতে থাকেন।
২৮শে ডিসেম্বর ২০১৪ ইং কোন খোঁজ না মিললেও ২৯শে ডিসেম্বর তৌহিদের খোঁজ পাওয়া যায় তৎকালীন নোয়াখালী জেলার এস পি আনিসুর রহমান ও সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদের জিম্মায় আছে বলেই খবর পাওয়া যায়।
পরিবার-পরিজন ও শুভাকাঙ্খীরা অনেক ছোটাছুটি করেও তহিদুল ইসলামকে প্রশাসনের হাত থেকে মুক্ত করতে পারেনি।
তৎকালীন চাটখিল সোনাইমুড়ির সাবেক এমপি এইচ এম ইব্রাহিম সোনাইমুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আ ফ ম বাবুল বাবু ও নোয়াখালী জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক কিং মোজাম্মেল নোয়াখালী জেলা এসপি আনিসুর রহমানের সাথে ১৭ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদকে হত্যা করার চুক্তি করেন বলে জানান।
তহিদুল ইসলাম এর ছোট ভাই কামাল সাংবাদিকদের বলেন। ৩০ তারিখ রাত তিনটার পরে সোনাইমুড়ি থানার পুলিশ আমাদের বাড়িতে এসে আমাদের পরিবারের সবাইকে ঘর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বলেন,আমরা আসতে অস্বীকৃতি জানাই। পুলিশ অফিসারদের মধ্যে একজন পুলিশ অফিসার কে চিনতে পারি এস আই আলমগীর।
৩০ তারিখ সকালবেলায় আমাদের কাছে খবর আসে আমার বড় ভাই তোহিদুল ইসলাম নোয়াখালী সদর হাসপাতালের সামনে পড়ে আছে,আমরা গিয়ে দেখি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার নিথর দেহটা পড়ে আছে।
কি অপরাধ ছিল আমার ভাইয়ের, আমার ভাই যদি অপরাধী হতেন দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার শাস্তি হতো সেটাও তো আমরা মেনে নিতে পারতাম। কিন্তু কেন আমার ভাইকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের নেতারা হত্যা করেছে? আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার সমাজ জাতির কাছে না পেলেও আল্লাহর কাছে বিচার অবশ্যই পাবো।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও...
পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা...
পানছড়িতে ঝর্ণা থেকে পাওয়া ‘শিবমূর্তি’ ঘিরে ভক্তদের ভিড়,...
পানছড়িতে ঝর্ণা থেকে পাওয়া ‘শিবমূর্তি’ ঘিরে...
বোয়ালী ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় সব সময় পাশে...
বোয়ালী ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় সব...
লোহাগড়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে দু’গ্রুপে সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ১৫,বাড়ি-ঘর...
লোহাগড়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে দু’গ্রুপে সংঘর্ষে মহিলাসহ...
সরাইলে”র প্রধান সড়কের বেহাল দশা, জনদূর্ভোগ
সরাইলে”র প্রধান সড়কের বেহাল দশা, জনদূর্ভোগ
আবু সাঈদ ময়মনসিংহ বিভাগের শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত
আবু সাঈদ ময়মনসিংহ বিভাগের শ্রেষ্ঠ সহকারী...