• চট্রগ্রাম দেশজুড়ে
  • দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপের আহ্বান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরার

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপের আহ্বান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরার

প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ণ , ১ মার্চ ২০২৫, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা রামগড় বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “আমরা চাই, সবাই মিলে সম্প্রীতি বজায় রেখে ব্যবসা করবেন এবং কোনও ধরনের দুর্নীতি বা চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। যদি কেউ দোকানে চাঁদা নিতে আসে, তবে একত্রিত হয়ে তাকে বিতাড়িত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এটি একটি ঐতিহাসিক বাজার এবং এখানে বাজারের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এলজিইডি কর্তৃক রামগড় মডেল বাজার ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ মডেল ভবনের মাধ্যমে বাজারের অবকাঠামো উন্নয়ন হবে, যা ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা, প্রফেসর আবদুল লতিফ, রামগড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ জসীম উদ্দিন সহ এলাকার গুণীজন ও ব্যবসায়ীরা।

জিরুনা ত্রিপুরা আরও বলেন, “এটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভবন নয়, এটি রামগড়বাসীর ভবন। আমরা যা কিছু করি, তা শুধু আপনাদের জন্য।”

আজ (১ মার্চ ২০২৫) সকালে, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও এলজিইডির বাস্তবায়নে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চেয়ারম্যান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও বাজার ফান্ড প্রশাসক কার্যালয়ের আহ্বায়ক প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আহ্বায়ক ও পরিষদের সদস্য প্রফেসর আবদুল লতিফ, বাজার চৌধুরী মংশেপ্রু চৌধুরী, রামগড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ জসীম উদ্দিন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রামগড় উপজেলা প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন, মোঃ রিয়াদ এবং ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

পরে দুপুরে রামগড় স্থলবন্দর ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন চেয়ারম্যান। এরপর তিনি রামগড় ব্যপ্টিস্ট চার্চ পরিদর্শন করেন।

বিকেলে তিনি মাটিরাঙ্গা উপজেলার কামিনী পাড়াস্থ সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরে আয়োজিত ৭ম অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ মহোৎসব পরিদর্শন করেন এবং আয়োজকদের হাতে অনুদান তুলে দেন।

তিনি মহোৎসবে অংশগ্রহণকারীদের সাথে মতবিনিময় করেন ও মহাপ্রসাদ গ্রহণ করেন। এসময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন পরিষদের সদস্য প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা, প্রফেসর আবদুল লতিফ, মহোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর