৮নং ওয়ার্ডে ২য় দিন: ইমদাদুল হক ইমদাদের পক্ষে গণজোয়ার

প্রকাশিত: ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 weeks আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মো. সাহিদুল ইসলাম শাহীন:- ​আসন্ন বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত শহর বেনাপোলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিশেষ করে মেয়র পদে তরুণ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. ইমদাদুল হক ইমদাদের লাগাতার গণসংযোগ পুরো নির্বাচনী সমীকরণকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই প্রচারণায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে ইমদাদের প্রতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা ও ভালোবাসা।

​সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কাকডাকা ভোরে ফজরের নামাজ আদায় করেই গণসংযোগে নেমে পড়েন মেয়র প্রার্থী মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ। আজকের প্রচারণার লক্ষ্য ছিল পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ছোটআঁচড়া গ্রাম। এই ওয়ার্ডে এটি ছিল তাঁর গণসংযোগের দ্বিতীয় দিন। দিনের শুরুতেই বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক ইমদাদের সাথে যুক্ত হন। ​

ছোটআঁচড়া গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে ইমদাদুল হক ইমদাদ ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন, তাঁদের ব্যক্তিগত ও এলাকার সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। বয়োজ্যেষ্ঠ ভোটাররা তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরে দোয়া করেন এবং বিজয়ী হওয়ার শুভকামনা জানান। নারী ও শিশু-কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ইমদাদের প্রতি তাঁদের আবেগঘন আচরণ লক্ষ্য করার মতো ছিল।

অনেক মা-বোন তাঁকে “আমাদের সন্তান” বলে সম্বোধন করে সমর্থন ব্যক্ত করেন। ​গণসংযোগকালে ইমদাদ প্রতিটি বাড়িতে নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করেন এবং ভোটারদের প্রতিশ্রুত উন্নয়নের রূপরেখা সম্পর্কে ধারণা দেন। এলাকার সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথেও তিনি মতবিনিময় করেন।
​
​গত দুই মাস ধরে ৯টি ওয়ার্ডে ইমদাদুল হক ইমদাদ যে ধারাবাহিক ও সুশৃঙ্খল প্রচারণা চালিয়েছেন, তার প্রভাব সুস্পষ্ট। স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইমদাদের রাজনৈতিক পরিচ্ছন্ন ইমেজ, বিশিষ্ট সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী হিসেবে তাঁর দক্ষতা এবং বেনাপোলের মাটি ও মানুষের সাথে তাঁর আত্মিক সংযোগ ভোটারদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। ​

ওয়ার্ডগুলোতে সরজমিনে দেখা গেছে, দুই মাস আগের তুলনায় বর্তমান ইমদাদের গ্রহণযোগ্যতা অনেকগুণ বেড়েছে। বিরোধী শিবিরের ভোটাররাও তাঁর সজ্জন ব্যক্তিত্ব ও উন্নয়নের সদিচ্ছাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। যুবদল ও ছাত্রদলের তরুণ কর্মীদের মধ্যে তিনি একটি নতুন উদ্দীপনা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

ভোটারদের আবেগময় গ্রহণ এবং তাঁদের স্পষ্ট সমর্থন ইঙ্গিত দেয় যে, ইমদাদুল হক ইমদাদ শুধুমাত্র একজন প্রার্থী নন, তিনি এই মুহূর্তে বেনাপোলবাসীর প্রত্যাশার প্রতীক। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ইমদাদুল হক ইমদাদের বিজয় অবধারিত বলেই মনে করছেন এলাকার অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

​প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনি যে মানুষের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন, তা প্রচারণার এই দুই মাসেই প্রমাণিত। আগামী দিনগুলোতেও তাঁর এই অপ্রতিরোধ্য প্রচারণা বেনাপোলের নির্বাচনী লড়াইকে আরও জমজমাট করে তুলবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

৮নং ওয়ার্ডের ছোটআঁচড়া গ্রামে প্রচারণার ২য় দিনে সম্মানিত ভোটার ও প্রিয় গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে মেয়র প্রার্থী মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ বলেন,
​”আমার প্রিয় ছোটআঁচড়া গ্রামবাসী, আমার মুরুব্বি, মা-বোন এবং স্নেহের ছোট ভাইয়েরা— ​আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে একজন প্রার্থী হিসেবে নয়, আমি এই বেনাপোলেরই সন্তান। এই মাটি, এই আলো-বাতাসে আমি বড় হয়েছি। আজ সকালে যখন ফজরের নামাজ পড়ে আপনাদের কাছে আসলাম, আপনাদের পরম মমতায় ভরা বুক মেলানো এবং মুরুব্বিদের মাথায় হাত রেখে দোয়া করা—আমাকে এক গভীর আবেগে প্লাবিত করেছে।

​আপনারা দেখছেন, গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আমি পৌরসভার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়, প্রতিটি ঘরে ঘরে যাচ্ছি। আজ ছোটআঁচড়ায় আমার প্রচারণার ২য় দিন। আপনাদের চোখের যে প্রত্যাশা, যে ভালোবাসার দৃষ্টি আমি দেখেছি—তা আমাকে আজীবন ঋণী করে রাখল। আমার রাজনীতি কোনো ক্ষমতার লিপ্সার জন্য নয়, আমার রাজনীতি বেনাপোলের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য, আমাদের এই প্রিয় শহরটিকে একটি আধুনিক ও সুন্দর পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।

​আমার মা-বোনেরা যখন আমাকে কাছে পেয়ে নিজেদের সন্তান মনে করে দোয়া করছেন, তখন আমার মনে হচ্ছে এই বেনাপোল পৌরসভা একটি পরিবার। এই পরিবারের সেবা করার সুযোগ যদি আপনারা আমাকে দেন, আমি কথা দিচ্ছি—আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকব। ছোটআঁচড়াসহ পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে যে উন্নয়ন থমকে আছে, যে নাগরিক সুবিধার অভাব আপনারা ভোগ করছেন—ইনশাআল্লাহ, সবাইকে সাথে নিয়ে আমি সেই সমস্যার সমাধান করব। ​

আমি সিএন্ডএফ ব্যবসার সাথে যুক্ত, আপনাদের সুখে-দুঃখে কীভাবে পাশে থাকতে হয় সেই শিক্ষা আমার পরিবার ও রাজনৈতিক আদর্শ আমাকে দিয়েছে। যুবদল, বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ভাইদের সাথে নিয়ে আমি কেবল ভোট চাইতে আসি নাই, এসেছি আপনাদের পরিবারের একজন হয়ে আপনাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে।

আপনাদের এই ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার মূল শক্তি। আপনারা আগামী নির্বাচনে আপনাদের সন্তানকে আপনাদের অমূল্য ভোট ও দোয়া দিয়ে সেবা করার সুযোগ দিন। আমি আপনাদের বিশ্বাসের মর্যাদা প্রাণ দিয়ে হলেও রক্ষা করব। আপনারা সবাই আমার জন্য এবং আমাদের এই বেনাপোলের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করবেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর