
মো.সাহিদুল ইসলাম শাহীনঃ- আসন্ন বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত ঘেঁষা এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক শহরের রাজনীতিতে আগাম উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের ব্যাপারে এখনও কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, স্থানীয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন।
বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের অভ্যন্তরীণ তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই দৌড়ে মেয়র পদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও ‘হেভিওয়েট’ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন যুবদল নেতা মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ।
যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক এবং শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইমদাদুল হক ইমদাদকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।
বেনাপোল পৌরসভাকে নাগরিক সুবিধা ও আধুনিকায়নের রোল মডেল হিসেবে গড়তে চান তিনি। পৌরসভার মোট ৯টি ওয়ার্ডেই এখন চলছে সম্ভাব্য এই প্রার্থীর ব্যক্তিগত ও দলীয় গ্রহণযোগ্যতার চুলচেরা বিশ্লেষণ।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মতে, ইমদাদের শক্তির মূল জায়গাগুলো হলো,তৃণমূলে শক্তিশালী বলয়: শার্শা উপজেলা ও জেলা যুবদলের শীর্ষ পদে থাকার কারণে ৯টি ওয়ার্ডেরই প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় তার একটি অনুগত ও শক্তিশালী কর্মী বাহিনী রয়েছে, যারা ইতিমধ্যেই মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন।
বেনাপোলের স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় প্রতিটি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সাথে তার দীর্ঘদিনের আত্মিক যোগাযোগ রয়েছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে একজন ‘পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য মুখ’ হিসেবে দেখছেন। আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, বেহাল রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে তার যুগোপযোগী ভাবনা তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের আকৃষ্ট করছে।
দীর্ঘদিন ধরে দলের ক্রান্তিলগ্নে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় নেতাকর্মীদের মাঝে ইমদাদের প্রতি প্রবল শ্রদ্ধা ও সমর্থন রয়েছে। জেলা কমিটির জোরালো সবুজ সংকেত থাকায় দলের ভেতরে তিনি অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। তবে মূল নির্বাচনে সব দল ও মতের সাধারণ ভোটারদের মন জয় করা এবং নিরপেক্ষ ভোটারদের ভোট ব্যাংকে টানাই হবে তার প্রধান নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ।
দলীয় সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন ইমদাদুল হক ইমদাদের নাম। আগামী দিনে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা হলে বেনাপোলের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা দেখতেই এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন পৌরবাসী।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
শার্শায় ৩২টি পূজা মণ্ডপে নুরুজ্জামান লিটনের নিজস্ব অর্থায়নে...
শার্শায় ৩২টি পূজা মণ্ডপে নুরুজ্জামান লিটনের...
টিনের ঘরে মাশরুম চাষ, ইউটিউব দেখে ৩ বন্ধুর...
টিনের ঘরে মাশরুম চাষ, ইউটিউব দেখে...
শেরপুরের বনভূমিকে বন্যহাতির নিরাপদ আবাস-’ল হিসেবে গড়ে তোলার...
শেরপুরের বনভূমিকে বন্যহাতির নিরাপদ আবাস-’ল হিসেবে...
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মের শ্রমিকদের মাঝে পূজার উপহার বিতরণ
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মের শ্রমিকদের মাঝে পূজার...
রাতের আঁধারে জবাই করা গরু ভ্যানে পরিবহন! ক্ষেতলালে...
রাতের আঁধারে জবাই করা গরু ভ্যানে...
শিক্ষাবান্ধব ও সমাজসেবক ইমদাদের উপর আস্থা পৌরবাসীর
শিক্ষাবান্ধব ও সমাজসেবক ইমদাদের উপর আস্থা...