কেন্দুয়ায় নানা-নাতিকে বেঁধে মহাসড়কে ডাকাতি

প্রকাশিত: ১:৪৬ অপরাহ্ণ , ১১ মার্চ ২০২৫, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
আহত হেলিম।ছবি- সময়ের আবর্তন

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় গভীর রাতে নানা-নাতিকে বেঁধে মহাসড়কে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এঘটনাটি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে কেন্দুয়া-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের আটিগ্রাম পল্লী বিদ্যুতের সাব স্টেশন সংলগ্ন সঞ্জু রহমানে ফিসারী পুকুর পাড়ে ঘটে। ডাকাতের অস্ত্রে আঘাতে গুরুতর আহত আব্দুল হেকিম নামে একজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল এলাকায় সঞ্জু রহমানের ফিসারী পুকুর রাতে পাহাড়ার দ্বায়িত্বে ছিলেন তার ছেলে রাকিবুল ইসলাম (১৭) ও শ্বশুর তারা মিয়া। ডাকাতরা প্রথমে রাকিবুলদের মোবাইল ফোন চিনিয়ে নেয়। পড়ে নানা-নাতিকে বেঁধে ফিসারী পুকুরঘরে লেপতোশক দিয়ে চাপ দিয়ে রাখে।

আহত হেলিমকে রাস্তা থেকে তুলে এনে ওই ফিসারী ঘরে ব্যাপক মারধোর ও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে সবকিছু লুটে নেয়। বেলা ১১টার দিকে সরজমিনে গেলে দেখা যায়। ফিসারী ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে প্রচুর রক্তের দাগ। রয়েছে রক্তমাখা দড়ি। পুকুরের উত্তর ও পূর্ব কোণঘেঁষা একটি গাছের সাথে লম্বা ও মোটা দড়ি বাঁধা।

ধারণা হয় এই দড়ি দিয়ে রাতে সড়কে বেরিকেড তুলে ডাকাতি করা হয়েছে। ওই গাছে নিচে ডাকাত দলের সদস্যরা যে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছে বুঝা যায় বিভিন্ন ফাস্টফুডে খোসা পড়ে থাকতে দেখে। রাকিবুল ইসলাম জানায়, রাত ৩টার দিকে ৫/৬ লোক এসে আমার কাছে থেকে মোবাইলটা নিয়ে আমাকে হাত-পা বেঁধে পেলে।

এরপরে নানাকেও বেঁধে দুইজনের লেপতোশক পেলে রাখে। বিদ্যুতের মেইন সুইচ অপ করে দেয়। কিছুক্ষণ পরে হেলিমকে এনে তার কাছে যা ছিল নিয়ে তাকে বেঁধে রাখে। পরে সে যখন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে তাকে অস্ত্রদিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায়।

পরে হেলিমকে প্রথমে কেন্দুয়া হাসপাতালে পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এব্যাপার কেন্দুয়া থানা ওসি মিজানুর রহমান জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বিষয়টি গভীর ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও বলেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর