• খুলনা শীর্ষ সংবাদ
  • পাইকগাছায় জমি দখলের চেষ্টা ও নেতৃবৃন্দের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

পাইকগাছায় জমি দখলের চেষ্টা ও নেতৃবৃন্দের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 month আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

খুলনার পাইকগাছায় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ ও স্থানীয় বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের শান্তা-কুমখালী মোড় সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক ও জমির মালিক প্রদীপ কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সমাজসেবক শান্ত কুমার মন্ডল, প্রভা মন্ডল, শিউলী মন্ডল, মুক্তি মন্ডল, সাত্তার বিশ্বাস, গুরু গোবিন্দ মন্ডল ও কিশোর মন্ডলসহ স্থানীয়রা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কুমখালী মৌজার একটি জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। উভয় পক্ষ আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরও প্রতিপক্ষের প্রশান্ত ও দেবদাশ মন্ডলসহ কয়েকজন গত ২ আগষ্ট সকালে ওই জমিতে জোরপূর্বক ধান রোপণ করে দখলের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং দখলের চেষ্টা বন্ধ করে বলে দাবি করেন বক্তারা।

তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, বিরোধ থামাতে যুবদল নেতা ওবায়দুল্লাহ সরদার ও রানা মোড়ল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁরা ঘটনার ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করছিলেন। একপর্যায়ে তাঁদের দুটি মুঠোফোন নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।

বক্তারা দাবি করেন, পরবর্তীতে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে যুবদল নেতা ওবায়দুল্লাহ সরদার ও রানা মোড়লের বিরুদ্ধে মারপিটের অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

মানববন্ধনের সভাপতি প্রদীপ কুমার মন্ডল বলেন, কুমখালী মৌজায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া প্রায় ১০ বিঘা জমি তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। চলতি বছর পর্যন্ত ওই জমির খাজনা-করও পরিশোধ করা হয়েছে। জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় কেউ যেন জোরপূর্বক জমির দখল নিতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমির দখলকে কেন্দ্র করে গত ২৮ আগস্ট দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই খায়রুল আলম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত করি। সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরে ক্যাম্পে বসে বিষয়টি মীমাংসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তাঁরা ক্যাম্পে না আসায় বসা সম্ভব হয়নি।

জমি নিয়ে বিরোধ এবং বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে প্রশান্ত মন্ডলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর