বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে টিএসএফ’র ভালোবাসার উপহার

প্রকাশিত: ২:৩৮ অপরাহ্ণ , ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী পেল দুর্গম কাপতলা পাড়ার অসহায় পরিবার ও শিক্ষার্থীরা।ছবি- সময়ের আবর্তন

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ (টিএসএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল (১৪ ফেব্রুয়ারি) খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার দুর্গম কাপতলা পাড়া (মায়ুং কপাল) এলাকায় এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

শীতবস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে কাপতলা পাড়ার কারবারী ত্রি জগৎ ত্রিপুরার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খঞ্জন জ্যোতি ত্রিপুরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাগর ত্রিপুরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উর্মী ত্রিপুরা, দপ্তর সম্পাদক রন বিকাশ ত্রিপুরা, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মিলন ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জবা ত্রিপুরাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক টিএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চুপান্তি ত্রিপুরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার মধ্যে জীবনযাপন করে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এখনো প্রয়োজনীয় পর্যায়ে পৌঁছেনি। এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য আশার আলো হয়ে আসে।”

সংগঠনের নেতারা বলেন, কাপতলা পাড়ার মতো দুর্গম এলাকায় শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে ভবিষ্যতে এখানকার জীবনমান উন্নত হবে। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের এই জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে অঞ্চলের শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। টিএসএফ’র এমন মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জানান, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও সহযোগিতা পেলে এলাকার মানুষদের কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরামের এমন মানবিক উদ্যোগ পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতি তাদের ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।