• জাতীয় লিড নিউজ
  • মোস্তাফিজকে ঘিরে তৈরি পরিস্থিতি বাংলাদেশ-ভারত উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর: অর্থ উপদেষ্টা

মোস্তাফিজকে ঘিরে তৈরি পরিস্থিতি বাংলাদেশ-ভারত উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর: অর্থ উপদেষ্টা

প্রকাশিত: ৮:২২ পূর্বাহ্ণ , ৬ জানুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 5 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা বাংলাদেশ ও ভারতের—কোনো দেশের জন্যই ইতিবাচক নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বিষয়টি দুঃখজনকভাবে রাজনৈতিক আলোচনার ভেতরে ঢুকে পড়েছে এবং এর সূচনা বাংলাদেশ থেকে হয়নি।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ হওয়ার বিষয়টি সরকার–ভারত সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না—এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা জানান, এ ঘটনায় অর্থনৈতিক বা সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কোনো প্রভাব পড়েনি। তিনি বলেন, ওই দিনের বৈঠকে খেলাধুলা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি এবং অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবতা ও যুক্তির ভিত্তিতেই নেওয়া হচ্ছে।

পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়টি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার আওতাভুক্ত। এ বিষয়ে তার কাছ থেকেই বিস্তারিত জানা যাবে।

নির্বাচনের আগে এমন ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, পুরো প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা জরুরি। তার ভাষায়, এই ঘটনার সূচনা বাংলাদেশ করেনি—এটি স্বীকার করতেই হবে।

তিনি আরও বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান একজন আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ও দক্ষ ক্রিকেটার। তাকে কোনো দয়া বা অনুকম্পা থেকে দলে নেওয়া হয়নি। পর্যালোচনার মাধ্যমেই তাকে নির্বাচিত করা হয়েছিল। এমন একজন খেলোয়াড়কে হঠাৎ বাদ দেওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক এবং পরবর্তী যে প্রতিক্রিয়াগুলো দেখা গেছে, সেগুলোও অনাকাঙ্ক্ষিত।

আবেগের বশে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, উভয় পক্ষ বিবেচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করবে বলে তিনি আশাবাদী। বাংলাদেশ কোনোভাবেই চায় না রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হোক।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ না হলেও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই এটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর