
মো.সাহিদুল ইসলাম শাহীনঃ-গত ২৮ মার্চ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে আজ রবিবার যশোর জেলার শার্শা উপজেলার সকল ব্যাংক,বীমা ও সরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ খুলছে। গত ৩১ মার্চ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব “পবিত্র ঈদুল ফিতর” উদযাপিত হয়। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কর্মজীবী মানুষ ছুঁটে যায় প্রিয়জনদের কাছে। রবিবার থেকে অফিস সমূহের কার্যক্রম পুণরায় শুরু হবে,এমন নিয়ত করেই কর্মস্থলে ফিরছেন কর্মজীবীরা।
রমজান মাসে সরকারি প্রতিষ্ঠানে অফিসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আজ থেকে আগের মতোই অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
এদিকে,বেনাপোল বন্দরে শুরু হয়ে গেছে আর্থিক লেন-দেন সমূহ,গতকাল শনিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে স্বাভাবিক গতিতে চলছে আমদানি-রপ্তানি বানিজ্য। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক- সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৮ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর থেকেই শুরু হয় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য। ফলে বন্দর এলাকায় দেখা দিয়েছে যানজট। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও যানজট রয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আহম্মেদ জানান, ঈদে টানা ৮ দিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও এ সময় পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার অন্যন্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল। ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় এ সময় যাত্রীদের চাপ ছিল না বললেই চলে। যাতায়াতকৃত যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সে জন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।

বেনাপোল বন্দরের উপ পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৮ দিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুর থেকে পুনরায় এ স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি। রবিবার বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম শুরু হলে ফিরে আসবে বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য।
প্রসঙ্গত, ছুটির হিসেব অনুযায়ী ঈদের আগে ২৮ মার্চ (শুক্রবার) ছিল শবেকদরের ছুটি। এবার ২৯ মার্চ (শনিবার) থেকে শুরু হয় ঈদুল ফিতরের ছুটি, টানা পাঁচ দিনের ছুটি (২৯, ৩০, ৩১ মার্চ এবং ১ ও ২ এপ্রিল)। এরপর মাঝখানে ৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা ছিল, সেদিনও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর ৪ ও ৫ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কলকাতায় তৃণমূলের বিক্ষোভ মিছিল আজ
কলকাতায় তৃণমূলের বিক্ষোভ মিছিল আজ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় ইরান: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় ইরান:...
নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তোপের মুখে ড. ইউনূস
নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তোপের মুখে ড....
ঢাকায় আবহাওয়া শুষ্ক ও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে
ঢাকায় আবহাওয়া শুষ্ক ও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত...
আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ
আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ ও...
গোয়াইনঘাটে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
গোয়াইনঘাটে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত