
মজিবুর রহমানঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ঈদের আগে চাঞ্চল্যকর দুই ঘটনার কুলকিনারা পাচ্ছে না থানার পুলিশ। ঘটনার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোন আসামী গ্রেপ্তার কিংবা রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ব্যর্থ হাওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার হতাশ হয়ে পড়েছেন।
ঘটনা দুটি হলো উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউপির আমতলা গ্রামের নিখোঁজ নুরুল আমিন ওরফে নুরু ও নৃশংস খুনের শিকার গড়াডোবা ইউপির ওয়াই গ্রামের তারা মিয়া ফকির। দুই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
নুরুল আমিন ওরফে নুরু নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে
গত ২১ মার্চ থানায় মামলাটি রুজু করেছেন। মামলার এজাহারে প্রতিবেশী সিদ্দিক মিয়ার ছেলে রবিকুল ইসলামকে প্রধান আসামীসহ ৮ জনের নামোল্লেখ করা করা হয়। এবং অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে আরো ৪/৫ জনকে। বিবাদীদের সাথে নানান বিষয় নিয়ে বাদী পক্ষের দীর্ঘদিনের পূর্বশত্রুতা চলছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি ঘটনা মিমাংসা হয়েছিল মামলায় উল্লেখ করেন বাদী। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ১৭ মার্চ বাদীর স্বামী নিখোঁজ নুরুল আমিন ওরফে নুরু বোরো ধান ক্ষেতে সেচ দিয়ে রাত ১১ টার দিকে ঘরে ফিরেন। রাতের খাবারের পর ১২:৫৫ মিনিটে বিছানায় শুয়ার পর নুরুকে ডেকে নিয়ে যায় মামলার প্রধান আসামী। এরপর থেকে নিখোঁজ রয়েছে নুরু।
সম্ভব্য সকল স্থানে খুঁজাখুঁজি পাশাপাশি ঘটনার পরদিনই থানা পুলিশকে অবহিতসহ একটি সাধারণ ডায়রি ( জিডি) করেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার কোন অগ্রগতি না পেয়ে ২১ মার্চ মামলা দায়ের করেন নিখোঁজ নুরু’র স্ত্রী ডেইজি আক্তার। পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একই উদ্দেশ্যে খুন করার জন্য
অপহরণ করার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে বিবাদীদের বিরুদ্ধে।
মামলা দায়ের পরেও কোন অগ্রগতি না দেখে পুলিশে ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন বাদী। অপরদিকে ২১ মার্চ রাতে নৃশংস খুনের শিকার হয়েছেন তারা মিয়া ফকির নামে ষাটোর্ধ বৃদ্ধা। তারা মিয়ার হত্যাকান্ডের ঘটনায় এলাকার সকল শ্রেনীপেশার মানুষের হৃদয়ে নাড়া দেয়। তারা মিয়া একজন সহজসরল মানুষকে কেন হত্যাকান্ডের শিকার হতে হলো প্রশ্নটি এখনো সবার মূখে মুখে।
এঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ২৩ মার্চ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিখোঁজ নুরু’র ছেলে ইয়াসিন জানায়,তার বাবা নিখোঁজের ২০ দিন পেয়িয়ে গেছে থানায় জিডি করেছি,মামলা করেছি অতচয় এখন খোঁজ মিলছেনা। পুলিশ কয়েকদিন খুঁজখবর নিচ্ছে এখন আর তাদের তেমন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে নিহতের তারা মিয়ার ছেলেও পুলিশের ভূমিকা সন্তোষ প্রকাশ করেননি। ঘটনার ১৫ দিন চলেছ এখন পর্যন্ত জানতে পারলাম না আমার বাবাকে কে খুন করেছে। মামলা দুইটি তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর রেজাউল করিম। মামলা অগ্রগতি বিষয়ে জানতে মুটোফোনে বারবার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা যায়নি।
এব্যাপারে কেন্দুয়া থানায় অফিসার ইনচার্জের দ্বায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ওমর কাইউম জানান,ঘটনা দুইটির এখন পর্যন্ত প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে না পারলেও ঘটনা সম্পর্কে গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি রাস্তায় রোপণ হবে হাজারো কৃষ্ণচূড়ার চারা
নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি রাস্তায় রোপণ হবে হাজারো...
শেরপুরে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
শেরপুরে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
জেলা ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত
জেলা ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত
সাপাহারের সন্তান মাহমুদুস সালেহীনকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি করায়...
সাপাহারের সন্তান মাহমুদুস সালেহীনকে কেন্দ্রীয় যুবদলের...
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা জুন-২০২৬ অনুষ্ঠিত
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা জুন-২০২৬...