• দেশজুড়ে প্রধান সংবাদ
  • কেন্দুয়ায় কারচুপির মাধ্যমে রোয়াইলবাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন

কেন্দুয়ায় কারচুপির মাধ্যমে রোয়াইলবাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন

প্রকাশিত: ১:৫২ অপরাহ্ণ , ১২ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 8 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মজিবুর রহমান,নেত্রকোনা :নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন নিয়ে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী উছমানের বিরুদ্ধে।

এঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন একই মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান।

অভিযোগকারী সহকারী অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান বর্তমান এডহক কমিটির সদস্য এবং ওই শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে একজন প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করে এককভাবে ভোট গ্রহণ ও প্রার্থী বাছাইয়ের অভিযোগ এনে নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়ে এ অভিযোগ দাখিল করেছেন তিনি।

তিনি অভিযোগে বলেন, গত ২১ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। বিধি অনুযায়ী ফাজিল, আলিম ও দাখিল-ইবতেদায়ি—এই তিন স্তরের শিক্ষকদের ভোটে পৃথকভাবে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু নির্বাচনের আগের দিন অধ্যক্ষ বিধি বহির্ভূতভাবে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সব স্তরের শিক্ষকরা মিলে এক ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নিয়মবহির্ভূত।

আপত্তি জানানোর পরও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কোনো কর্ণপাত করেননি। বরং একতরফাভাবে ফাজিল শ্রেণির একজন শিক্ষককে প্রতিনিধি ঘোষণা করেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও স্বার্থান্বেষীভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে জরুরি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগকারী সহকারী অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান বলেন,অধ্যক্ষ মহোদয় নির্বাচন প্রক্রিয়া নিজের মতো করে পরিবর্তন করেছেন, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধিমালা স্পষ্ট লঙ্ঘন। আমি ন্যায়বিচারের স্বার্থে এই নির্বাচন অবিলম্বে বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে রোয়াইলবাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী উছমান বলেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের পরামর্শ এবং নিয়ম মেনেই শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন সম্পন্ন করেছি।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসা এডহক কমিটির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় রায় জানান, অভিযোগটি তদন্তের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এর একটা সমাধান হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর