জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরার অনুদান

প্রকাশিত: ৭:০২ পূর্বাহ্ণ , ২০ মার্চ ২০২৫, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা সম্প্রতি জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন এবং কার্যক্রমকে গতিশীল করতে অনুদান প্রদান করেছেন। গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) সকালে ঢাকার জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি ফাউন্ডেশনের মহা ব্যবস্থাপক মোঃ সোহেল মিয়ার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চেক তুলে দেন।

চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরার এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে এবং এটি ফাউন্ডেশনের শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা তার এই উদারতা এবং দায়িত্বশীলতার জন্য ধন্যবাদ প্রকাশ করেছেন।

অতীত স্মৃতির আলোকে ভবিষ্যৎ নির্মাণে এই উদ্যোগটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে সবার আশাবাদ।

এ সময় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, “জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সকল নাগরিকের দায়িত্ব। এ বিষয়ে বিত্তবানদের আরো এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।” তিনি আরো বলেন, “এ দেশ আমাদের সকলের, তাই সবাইকে শান্তি, সম্প্রীতি এবং দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এক হয়ে কাজ করার অনুরোধ করছি।”

উল্লেখ্য, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন হলো ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের সময় জুলাই গণহত্যায় শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা। ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সমাজসেবা অধিদফতর সংস্থাটির কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন দেয়। সংস্থাটির লক্ষ্য হলো জুলাই গণহত্যায় শহীদ ও আহতদের পরিবারকে অবিলম্বে স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা প্রদান করা।

জুলাই গণহত্যায় শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একটি স্মৃতি ফাউন্ডেশন গঠন করার উদ্যোগ নেয় মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্র্বতীকালীন সরকার। ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মুহাম্মদ ইউনুসকে সভাপতি ও ২০২৪ সালে বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ)-কে সাধারণ সম্পাদক করে সংস্থাটির ৭ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।

পরবর্তীতে ২১ অক্টোবর ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। আর এতদিন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২২ জানুয়ারি সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।