নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাহিন্দ্রা-সিএনজিকে ধাক্কা, উল্টে গেল বাস; নিহত ২

প্রকাশিত: ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ , ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 weeks আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাজির শিমলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন, বজলুর রহমান ডালিম (৩৬)। তিনি ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের রুদ্রগ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে এবং অপরজন হলেন রাইতুল হাসান খান (৪০)। তিনি একই ইউনিয়নের কাজীর শিমলা খান বাড়ি এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিল। কাজির শিমলা এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মাহেন্দ্রকে ধাক্কা দেয়।

পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে মহাসড়কের পাশে প্যাসিফিক আইডিয়াল হাইস্কুলের সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যায় বাসটি। এতে সিএনজির দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় আরও পাঁচজন আহত হন।

দুর্ঘটনার সময় বাসে থাকা এক যাত্রী বৃষ্টি আক্তার বলেন, “বাসের চালক হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। পরে চালকের সহযোগী বাসটি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।”

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত দুজন পুরুষকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে আমরা তাঁদের মৃত অবস্থায় পাই।

ত্রিশাল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হালিম বলেন, ডিউটিরত অবস্থায় কাজীর শিমলা এলাকায় পৌঁছে ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজি ও মাহিন্দ্রার সংঘর্ষের ঘটনা দেখতে পাই। এতে বাসটি উল্টে যায় এবং কয়েকজন আহত হন।

আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রেকার দিয়ে যানবাহন সরিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক করা হয়। তবে বাসের চালক ও হেলপারের অবস্থা সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মদ বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনার পর ইউনাইটেড পরিবহনের চালক পলাতক রয়েছে।

গুরুতর আহত চারজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎধীন আছেন এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। মরদেহ দুটি এ মূহুর্তে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর