
সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে জেলা প্রশাসকদের নিয়ে যে সম্মেলন ছিল সেখানে আমরা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাদের বাহিনীর প্রধানদের যে চাওয়া, কর্মপদ্ধতি, পরিকল্পনাসহ আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসকদেরকে অবহিত করা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সরকার যে দায়বদ্ধতার অবস্থান থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের যে অবস্থান থাকার কথা সেই দিকনির্দেশনা আমরা দিয়েছি। সেখানে আমি উল্লেখযোগ্যভাবে বলতে চাই, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যে দর্শন ছিল, সে বিষয় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে আমাদের জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত সে বিষয়েও আলোচনা করেছি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশনাগুলো ছিলো, যে পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীতে যাতে আমরা শক্তিশালী জনবল সম্পৃক্ত করতে পারি।এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসকদের কী ভূমিকা থাকতে পারে সে বিষয় আলোচনা করেছি।
শামছুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসক এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের যে রোল ও হারমনিতে কাজ করেছে সেই হারমনি আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয় আলোচনা হয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায় এ বিষয় আমরা আলোচনা করেছি। সর্বোপরি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে দিক নির্দেশনা ছিল, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার, যে বিষয়গুলো জেলা প্রশাসকদের জানা উচিত সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা তাদের অবহিত করেছি। সামগ্রিকভাবে এটা একটি ফলপ্রসূ আলোচনা পর্ব ছিল।
জেলা প্রশাসকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের বিমোহিত করেছে। আমরা আশা করি যে সহায়তায়র প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছেন সেই প্রতিশ্রুতির মধ্যে দিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ ও সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাশা করে ইনশাআল্লাহ সেটা পূরণ হবে, যোগ করেন তিনি।
মাঠে থাকাকালে সেনা সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা। প্রেস বিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান যে, দীর্ঘ সময় সেনা সদস্যরা প্রতিরক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ে মাঠ সেনাদের দায়িত্বে গ্যাপ ছিলো কি না? এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা কি বলেছেন?
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে এই বাহিনীতে যোগদান করেছেন। তারা ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে রাত অব্দি, আইদার প্রশিক্ষণ অথবা প্রশাসনিক কাজ করেন। অনেক সেনা সদস্য রাতে ঘুমানোর সুযোগ পান না। দুইদিন পর হয়তো রাতে একটু ঘুমাতে পারেন।
তিনি বলেন, আজকের সভায় প্রায় প্রত্যেক জেলা প্রশাসক সেনা সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রসংশা করেছেন। একইসঙ্গে বাহিনীর প্রধান এবং আমাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
কৃতি শিক্ষার্থী আয়েশা মোস্তাফিজ শাওমিকে মেয়র প্রার্থী ইমদাদের...
কৃতি শিক্ষার্থী আয়েশা মোস্তাফিজ শাওমিকে মেয়র...
পাইকগাছায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত
পাইকগাছায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে সেমিনার...
নড়াইলে স্ত্রীর মৃত্যুর পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ গেল...
নড়াইলে স্ত্রীর মৃত্যুর পর নামাজরত অবস্থায়...
বিকল্প পথে সৌদি যাত্রী নেবে সৌদিয়া
বিকল্প পথে সৌদি যাত্রী নেবে সৌদিয়া
ইইউ কমিশনারের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ইইউ কমিশনারের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
সিইসির পদত্যাগ চেয়ে মমতার মিছিল
সিইসির পদত্যাগ চেয়ে মমতার মিছিল