ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতার দোকানে হামলা, আহত ০১

প্রকাশিত: ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
প্রতিকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতার দোকানে দুর্বৃত্তদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা ২০ মিনিটের সময় জেলা শহরের কালাইশ্রীপাড়ায় ‘মেসার্স চৌধুরী সুজ’ নামে একটি জুতা বিক্রয়ের দোকানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সামসুজ আমান চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি পৌরসভার পূর্ব মেড্ডার আলী আশরাফ চৌধুরীর ছেলে। এ ঘটনায় সামসুজ আমান চৌধুরীর মা পারভীন আক্তার চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিবেন বলে জানান।

পারভীন আক্তার চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, মাস্ক পরিহিত অজ্ঞাত নামা সংঘবদ্ধ ৮/১০ জন সন্ত্রাসী ও দুস্কৃতিকারী আমার ছেলের ওপর হামলা করে। ধারালো অস্ত্র দ্বারা আমার ছেলেকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে যে, তাদেরকে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। নতুবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর সহ আমার ছেলেকে প্রাণে খুন জখম করবে।

তখন আমার ছেলে তাদের দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করতে থাকে। হামলাকারীদের একজনের ধারালো ছুরিকাঘাতে আমার ছেলের বাম হাতে ৬টি সেলাই লেগেছে। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত্র ৯.০০ ঘটিকার সময় ফোন করে অজ্ঞাত নামা দুস্কৃতিকারীবর্গ হুমকি দিয়ে বলে- আমার ছেলে ব্যবসা করতে হলে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। ওই সময় আমি বিষয়টি আমলে নেয়নি।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর সারাদেশের ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও দুর্বৃত্তরা আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ঐ সময়ে দুর্বৃত্তরা আমার বাড়িতেও লুটপাট হামলা করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সামসুজ আমান চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসীদের দাবীকৃত দশ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে আমাকে ব্যবসা করতে দিবে না এবং প্রয়োজনে প্রাণে খুন জখম করবে বলে প্রকাশ্য হুমকি দেয়।

চাঁদা না দেওয়ায় আমার দোকানে হামলা করে মারধর করে। দুর্বৃত্তদের ভয়ে বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন সর্বদা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।