এ কেমন নির্মমতা ! দশমিনায় ক্ষেতের ফসল ক্ষতির জেরে গরুর পা কেটে বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত: ৪:৫১ অপরাহ্ণ , ৮ এপ্রিল ২০২৫, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

মোঃ রাকিবুজ্জামান দশমিনা (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর দশমিনায় ক্ষেতের ফসল ক্ষতির কারনে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে গরুর পা কেটে বিচ্ছিন্নের অভিযোগ উঠেছে।

গত রবিবার উপজেলার ২নং আলীপুর ইউনিয়ের চাঁদপুরা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবক আবু কালাম প্যাদার ছেলে আলমাছ প্যাদা চাঁদপুরা গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী আবদুল গনি হাওলাদারের ছেলে ফারুক হাওলাদার একই গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী ফারুক হাওলাদার বলেন,
আমি দিনমুজুরী কাজ করি ও পাশাপাশি স্বাবলম্বীর আশায় গরু লালন পালন করে এসেছি।

আমার বাড়ির পাশে প্যাদার চর নামক জায়গায় গরু চড়াতাম সেখান থেকে আমার অগোচরে আলমাছ প্যাদার
ক্ষেতের ফসল ক্ষতি করে বলে আমার একটি গরুর পিছনের ডান পা কেটে বিচ্ছিন্ন করে ও আর একটি গরু জিম্মি করে তাহার বাড়িতে নিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের অনুরোধে জিম্মি করা গরুটা আমাকে ফেরত দেয়। তিনি আরো বলেন, আমি দিনমুজুরী কাজ করে পরিবার চালাই, আমার গরুর দ্বারা তাহার ফসলের ক্ষতি হলে আমাকে বা স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের বলতেন আমি তাহার প্রাপ্য ক্ষতিপূরন দিয়ে দিতাম।

তা না করে দারালো অস্র দিয়ে আমার গরুটির পা কেটে বিচ্ছিন্ন করে। পরে উপজেলা থেকে চিকিৎসক এনে পা বিছিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করাই ও আজ তিনদিন যাবত চিকিৎসার ওষুধের খরচা চালিয়ে যাচ্ছি। মানুষ হয়ে এ কেমন পশুর উপর অবিচার আমি এর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন, এটা খুবই ন্যক্কারজনক ও নিন্দনীয় কাজ। বিষয়টি ঘটনার দিন ফারুক আমাদের জানালে বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তর ভাই রবিউল প্যদাকে জানালে, তিনি আমাদের চিকিৎসা বাবদ পাচ হাজার টাকা দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

তারপর এ নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসলে আলমাছ প্যাদা অভিযোগ অস্বীকার করে বৈঠক থেকে উঠে চলে যায় ও তার ভাই টাকা দেয়ার কথা স্বীকার আর দেয়নি।

তারা আরো বলেন, আমরা এলাকাবাসী হিসেবে সঠিক তদন্ত করে সঠিক অপরাধীকে সর্বোচ্ছ শাস্তি ও এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এবিষয় অভিযুক্ত আলমাছ প্যাদা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি এধরনের কিছুই করি নাই।

তিনি আরো বলেন, গত দুইদিন আগে খবর পাই আমার ফসলি ক্ষেতে একটি গরু এসেছে। তখনই স্থানীয় ব্যক্তীদের নিয়ে গরুটি আমার বাড়িতে নিয়ে আসি, তারপর গরুর মালিক আমার বাড়িতে আসলে স্থানীয়দের অনুরোধে গরুটি ফেরত দিয়ে দেই।