উন্নয়নের অংশীদার হতে কেউ বাকি থাকবে না, সবাই হবে — ড. হিলালী এমপি

প্রকাশিত: ১:৫১ অপরাহ্ণ , ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 month আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মজিবুর রহমান, নেত্রকোণাঃ নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেছেন, সরকারের মাত্র ছয় মাস অতিবাহিত হয়েছে।

এরই মধ্যে নির্বাচনী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আপনারা কেউ ধৈর্য হারাবেন না। ইনশাআল্লাহ আগামী দুই বছরের মধ্যে উন্নয়নের অংশীদার হবেন সবাই, কেউ বাকি থাকবে না।

মঙ্গলবার ( ১ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে কেন্দুয়া খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ড. হিলালী বলেন, আপনারা যখন নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেন, তখন আমি খুবই ব্যথিত ও কষ্ট পাই। নিজেদের মধ্যে বিভেদে জড়ালে প্রতিপক্ষ সুযোগ নেবে।

সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসছে। সবাইকে ত্যাগ ও সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে চলতে হবে। তা না হলে পরে পস্তাতে হবে। তাই নিজেদের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি করবেন না।

তিনি বলেন, নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলের মনোনয়ন দিয়েছেন। আপনারা শত ষড়যন্ত্র ও প্রশাসনিক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে প্রায় অর্ধলক্ষ ভোটের ব্যবধানে আমাকে বিজয়ী করেছেন।

এজন্য আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সবার কাছে আমার অনুরোধ, সামান্য বিষয় নিয়ে কেউ দলের ভেতরে বিভেদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না।

ড. হিলালী আরও বলেন, আমি আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। তরুণ প্রজন্মকে ইংরেজিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে একটি কর্মসূচি শুরু করেছি।

প্রথম ধাপে কেন্দুয়া ও আটপাড়া উপজেলার এক হাজার শিক্ষার্থীকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত সম্মানি ভাতার অর্থ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণে উৎসর্গ করেছি। দয়া করে নিজেদের মধ্যে হানাহানি করবেন না। দলের ভাবমূর্তি কীভাবে আরও উজ্জ্বল করা যায়, সে লক্ষ্যেই সবাইকে কাজ করতে হবে।

পরে উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি আব্দুর রশিদ নূরানী মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোসহ দলের প্রয়াত নেতাকর্মীদের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

এর আগে কেন্দুয়া খেলার মাঠ থেকে সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রায় অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মজনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, রেজাউল হাসান ভূঁইয়া সুমন, পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ ডিলার, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাহাবুব আলম খান মহসিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুমান আহমেদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাইন উদ্দিন, সদস্য সচিব আতাউল হক মিন্টু, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খান শান্তি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তৌফিকুল হক শিবলী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসাইন এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি জাকারুলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর