• চট্রগ্রাম শীর্ষ সংবাদ
  • চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান, খাগড়াছড়িতে পিসিপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান, খাগড়াছড়িতে পিসিপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশিত: ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ , ২০ মে ২০২৬, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 weeks আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে র‍্যালি ও ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০মে ২০২৬) সকালে শহরের মহাজন পাড়া থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউন হলে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পিসিপির কেন্দ্রীয় সভাপতি সুজন চাকমা (ঝিমিট) এবং সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক পিন্টু চাকমা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি বিমল কান্তি চাকমা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পিসিজেএসএসের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, বাসদ চট্টগ্রামের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাবেক সভাপতি আল কাদেরী জয়, ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি শুভ দেবনাথ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি মিরাজ উদ্দীন, যুব সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জগদীশ চাকমা এবং হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মায়া চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পিসিপির কেন্দ্রীয় তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুভাষ চাকমা।

বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির প্রায় তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও এর গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এখনো হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সরকারের আমলে পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি বিরোধ, নিরাপত্তা সংকট ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার স্থায়ী সমাধান হয়নি।

বক্তারা শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ শাসনকাল, পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এবং বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর রাজনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

তারা বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্যকে আশাব্যঞ্জক হিসেবে উল্লেখ করলেও দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যকর বাস্তবায়ন, আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, শিক্ষা ও সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল এবং পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘটিত সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবিও জানানো হয়।

সমাবেশে বিভিন্ন ছাত্র, যুব, নারী ও প্রগতিশীল সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর