• খুলনা দেশজুড়ে
  • চৌগাছায় দৃষ্টিহীন পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

চৌগাছায় দৃষ্টিহীন পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান

প্রকাশিত: ১১:২০ পূর্বাহ্ণ , ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 8 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

যশোরের চৌগাছায় এক পরিবারের (০৩)দৃষ্টিহীন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তারেক রহমান। (২৪ সেপ্টেম্বর) বুধবার বিকেলে উপজেলার বাড়ীয়ালী গ্রামে হাজির হন যশোর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান।

এ সময় তিনি পরিবারটির সার্বিক খোঁজখবর নেওয়াসহ চিকিৎসার আশ্বস্ত করেন। পরে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ পরিবারে মা ও দুই মেয়ে তিনজন দৃষ্টিহীন মানুষ। এ ছাড়াও উপজেলায় বিএনপির অসুস্থ থাকা বিভিন্ন নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন।

উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বাড়েয়ালী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মিলন মন্ডল। চোখের আলোহীন স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে নিদারুণ জীবন সংগ্রামে লড়াই করছেন। মিলন স্ত্রীকে নিয়ে ২১ বছর পার করেছেন ভালো ভাবেই।

সংসার সুখের ছিল মিলনের।কিন্তু পাঁচ বছর আগে হঠাৎই স্ত্রীর দুই চোখ নষ্ট হয়ে যায়। অন্যদিকে নয় বছর বয়সী বড় মেয়ে মারুফা ইয়াচমিন জন্ম থেকেই অন্ধ। এ ছাড়া সাত বছর বয়সী ছোট মেয়ে মরিয়ম খাতুনের দুই চোখ সুস্থ নিয়েই জন্ম হলেও দুই বছর আগে একটি চোখ অন্ধ হয়ে গেছে। অন্য চোখেও খুব কম দেখতে পারে সে।

ফলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হত দরিদ্র দিন মুজুর মিলন হোসেন যেনদুশ্চিন্তার শেষ নেই। এ খবর জানতে পেরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন যশোর জেলা বিএনপি।

যশোর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান বলেন, মা ও দুই দৃষ্টিহীন মেয়ে নিয়ে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও অসচ্ছল অবস্থায় জীবনযাপন করছেন। বিএনপি মানবতার দল। গণমানুষের জন্য কাজ করেন।

তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তাদের সংসারের খোঁজখবর ও চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। পরে তাদের চোখের সুচিকিৎসার দায়িত্ব নেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক স¤পাদক অ্যাড. আলী বুদ্দিন খান, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এম এ মান্নানসহ ইউনিয়ন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বাড়েয়ালী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মিলন হোসেন। শ্রমিকের কাজ করে কোনোমতে দিন-আনা দিন খাওয়া নুন ভাতে চলে তার সংসার। চারজনের সংসারের একমাত্র আয় করেন এ মানুষটি। এছাড়াও সংসারের ছোট-বড় সকল কাজও করেন মিলন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর