• অপরাধ দেশজুড়ে
  • জনশক্তি কর্মসংস্থা প্রশিক্ষণ ব্যুরো বিএমইটিতে নুর-এ আলমের দাপুটে সিন্ডিকেট!

প্রতারণার ফাঁদে কয়েক হাজার ভুক্তভোগী

জনশক্তি কর্মসংস্থা প্রশিক্ষণ ব্যুরো বিএমইটিতে নুর-এ আলমের দাপুটে সিন্ডিকেট!

প্রকাশিত: ৯:২০ পূর্বাহ্ণ , ৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে
প্রতিকী ছবি।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) তে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দপ্তরে কর্মরত এক অফিস সহায়কের দাপুটে সিন্ডিকেট। অসাধু রিক্রটিং এজেন্সির সাথে অবৈধ চুক্তি, জাল ভিসা তৈরি, মালয়েশিয়া সিন্ডিকেট বানিজ্য, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স, বিএমইটি কার্ড জালিয়াতি, অবৈধ বদলী বানিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্যসহ দপ্তরের এমন কোন কাজ নেই যা এই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রনে নেই।

এসব অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা চাদাবাজির মামলার ভয় দেখান সিন্ডিকেটের মুলহোতা শাহ মোহাম্মদ নুর-এ আলম। পদে অফিস সহায়ক হলেও অর্থবিত্তে আলম এখন কোটিপতি।

স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের সাবেক ডিজি শহিদুল আলমের হাত ধরে বিএমইটি তে প্রবেশ করে ক্ষমতার দাপুটে প্রভাব বিস্তার করেই চলছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের হাত ধরে বিএমইটিতে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পান শাহ মোহাম্মদ নুর-এ আলম। এর কিছুদিন যেতে না যেতেই ”মানি টু সাকসেস ফাইল” এই হিসেবটা বুঝতে তার আর দেরি হয়নি।

অবৈধ টাকার জোরে ফাইল চালাচালি এবং পরিচালক বর্হিগম তাজিম উর রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠ সক্ষ্যতা ও অসাধু কর্মকর্তাদের নিকট বেশ জনপ্রিয় ব্যক্তি তিনি। সেই সময়কার সাবেক ডিজি শহিদুল আলমের বিশ্বস্ত সহচর হয়ে ওঠেন এই নুর-এ আলম।

এরপর তার কাধে ভর করে অসাধু রিক্রটিং এজেন্সির সাথে চুক্তি করে জাল ভিসা, মালয়েশিয়া সিন্ডিকেট বানিজ্য, ম্যানপাওয়ার ক্লিয়ারেন্স, বিএমইটি কার্ড পাইয়ে দেওয়া, অবৈধ বদলী বানিজ্য ও টেন্ডার বানিজ্যে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তিনি।

এখানেই থেমে থাকেননি নুর-এ আলম। সাবেক ডিজি শহিদুল আলমকে দিয়ে পুরস্কার হিসেবে অবৈধ ভাবে কর্মাচারি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকের পদও বাগিয়ে নিয়েছেন।

এরপর তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে খুব অল্প দিনেই কোটিপতি বনে গেছেন নুর-এ আলম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, “ শাহ মোহাম্মদ নুর-এ আলমের বিরুদ্ধে প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাস মন্ত্রনালয়ে কয়েকবার অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু অদৃশ্য কারনে আসাদের অভিযোগের কোন সুষ্ঠ তদন্ত হয়না।

আমাদের মনে হয় কোন অসাধু কর্মকর্তা অভিযোগের ফাইল গায়েব করে দেয়। যদি তা না হয়, তাহলে অভিযোগের তদন্ত হয়না কেন? “

প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের সচিব মো: মোখতার আহমেদ জানান, ”আমার কাছে এরকম কোন অভিযোগ আসেনি। যদি অভিযোগ আসে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।”

এ বিষয়ে অফিস সহকারী শাহ মোহাম্মদ নুর-এ আলমের বক্তব্য নিতে গেলে অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্মসংস্থানের দপ্তরে তাকে পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর