• খুলনা শীর্ষ সংবাদ
  • পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ , ২০ জুন ২০২৬, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

এম জালাল উদ্দীন:পাইকগাছা(খুলনা):

খুলনার পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে এলাকাবাসী। সড়কের প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশ বেহাল অবস্থায় পরিনত হয়েছে। যা স্বাভাবিক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ৬ নং লস্কর ইউনিয়নের বাইনতলা খেয়াঘাট থেকে খড়িয়া অভিমুখে পাইকগাছা জিসি–বাইনতলা বাজার–বগুড়ারচক–গিলাবাড়ি জিসি সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙাচোরা অংশ এবং উঁচুনিচু অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার মাটি সরে গিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ও কাদা জমে যানবাহন চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

এ ইউনিয়নের ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত এই সড়কটি স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও মৎস্যচাষিসহ হাজারো মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। এছাড়া কৃষিপণ্য, রপ্তানিযোগ্য চিংড়ি ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ প্রায় দুইযুগ ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং জরুরি প্রয়োজনে চলাচল করতে গিয়ে মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটির বেহাল অবস্থার বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে জনদুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

এ বিষয়ে লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম সানা বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এলজিইডি কতৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছর সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমরা দ্রুত কাজ শুরুর প্রত্যাশা করছি।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাফিন শোয়েব জানান, খুলনা বিভাগীয় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের ডিপিপিতে সড়কটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তালিকায় এটি ২ নম্বর সিরিয়ালে রয়েছে। আশা করছি দ্রুত কাজটি শুরু হবে।

এদিকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করে নিরাপদ, টেকসই ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর