
নোয়াখালী সোনাইমুড়ীতে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ৪জুন’২০২৪ইং মঙ্গলবার উপজেলা ১ নং জয়াগ ইউপি’র কেঘনা আস্কর চকিদার বাড়ির মীর হোসেনের বসত ঘর ভাংচুর,লুটপাট সহ জবরদখল কারীদের হামলায় সালেহা বেগম(৭৫),আয়েশা আক্তার(৩৬),কুলসুম আক্তার(৩৯),মীর হোসেন (৪৫)নামক,৪জন গুরুতর আহত হয়েছে।
আহত ছালেহা বেগম ও আয়েশা আক্তার গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এ বিষয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নোয়াখালীতে অভিযোগ দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে এফ আই আর হিসেবে গণ্য করে মামলার ৱুজু করতে ওসি সোনাইমুড়িকে আদেশ প্রদান করে।
ভিকটিমের পরিবার,মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,উপজেলার ১নং জয়াগ ইউপির কেঘনা আস্কর চৌকিদার বাড়ির মৃত মনসুর আহমদ ওয়ারিশ সূত্রে ও খরিদ সূত্রে বসতবাড়িতে সাড়ে ১৭ শতাংশ ভূমি তে মালিক ছিলেন।তাহার মৃত্যুর পর স্ত্রী ও তিন পুত্র উক্ত ভূমিতে বসবাস সহ ভোগ দখলে থাকেন।একই বাড়ীর মৃত মূছা মিয়ার পুত্র সিরাজ ও ইয়াকুব গং বেশ কয়েক বছর থেকে মুনছুর আহমেদের ছেলেদের কে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করে আসছে।

গত ২ বছর থেকে সিরাজগং নিজেরা স্বয়ং ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে ভিকটিম মীর হোসেন দেরকে বাড়ি থেকে ঘর দরজা ও জায়গা জমি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি ও ভয় ভীতি দেখিয়ে আসছে।
ভিকটিম মীর হোসেন আরো জানান,সিরাজগং জনবলে বলিয়ান ও বহিরাগতদের এনে বিভিন্ন সময়ে বাড়িতে তার পরিবারের উপর নির্যাতন, নিপীড়ন,মারপিট, হামলা ইত্যাদি ঘটনা ঘটিয়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বার ও গণ্যমান্যদের কাছে প্রতিকার চেয়েও পায়নি।
গত কয়েকদিন আগে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে আমি (মির হোসেন)সহ আমার অপর ভাই বোনকে বিবাদী করে সোনাইমুড়ি থানায় অভিযোগ করে।এস আই জাকির হোসেন কোন রূপ তদন্ত না করে,সিরাজগং দেৱ কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গোপনে আমাদের বিরুদ্ধে কোর্টে ননজিআর প্রসেকিউশন দাখিল করে।
দাখিল এর পর থেকে সিরাজগং ও তাদের পোষ্য লোকজন বেপরোয়া ভাবে আমাকে আমার বসত ঘরের সামনে এসে গত ২০ মে সোমবার বেলা ১১ ঘটিকার সময় আমাকে মারপিট করে গুরুতর আহত করে।আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা শেষে সিরাজগং ৯ জনকে বিবাদী করে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ দাখিল করলে আদালত ওসি ডিবি নোয়াখালী কে তদন্তক্রমে প্রতিবেদন দাখিল এর আদেশ প্রদান করে।

পরবর্তীতে আমি সিরাজগং দেৱ অত্যাচার,নির্যাতন ও বসত ঘৱ ভাংচুর,জবর দখলের হুমকিতে আত্মরক্ষায় বিজ্ঞ দেওয়ানি আদালতে ইনজেংশন সুট (স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) মামলা করলে বিজ্ঞ আদালত প্রতিপক্ষ সিরাজগং দেৱ প্রতি ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর আদেশ প্রদান করেন।
গত ৪ জুন মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় সিরাজের ভাই ইয়াকুব আলী,পুত্র মনু,হাফিজ,ঘর জামাতা খোকনের নেতৃত্বে ১৫ ,২০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী.দা,ছেনি, ধামা এস এস পাইপ,কুঠার,লোহার রড,লাঠি চোঠা ইত্যাদি মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে বসত ঘর ভাঙচুর সহ ঘরের মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এ সময় সন্ত্রাসী খোকন, মনু ,হাফিজ, ইয়াকুব,সোহাগীদের হামলায় আমিও আমার মা ছালেহা বেগম,বোন আয়েশা,কুলসুম আক্তার মাথায় ও শরীরে বিভিন্ন অংশের গুরুতৱ রক্তাক্ত জখম হয়।
সন্ত্রাসীদের এমন তান্ডব কালে আমার ভগ্নিপতি মহিন ৯৯৯ নাম্বারে কল করলে সংশ্লিষ্ট হটলাইন থেকে সোনাইমুড়ী থানার ওসির তদন্তের সাথে সংযোগ করে দিলেও অজ্ঞাত কারণে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ ঘটনার ২ ঘন্টা পরেও ঘটনাস্থলে পৌঁছেনি,এমনকি ৯৯৯ নাম্বারে কল করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে।
মির হোসেন আরো জানান,আমার মা ও বোন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এ বিষয়ে আমার মা বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নোয়াখালীতে অভিযোগ দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে এফ আই আর হিসেবে গণ্য করে মামলার ৱুজু করতে ওসি সোনাইমুড়িকে আদেশ প্রদান করে।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান আদালতের আদেশ মোতাবেক সালেহা বেগমের দাখিলকৃত অভিযোগে মামলার ৱুজু হয়েছে।আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা সহ তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
পাইকগাছায় গাঁজাসহ দুই যুবক আটক
পাইকগাছায় গাঁজাসহ দুই যুবক আটক
বাকেরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত কারেন্ট জাল পুড়িয়ে...
বাকেরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত কারেন্ট...
সাপাহারে শিরন্টি ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান আলীর গণসংযোগ
সাপাহারে শিরন্টি ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান...
শেরপুর ডপস সদস্যদের মূল্যায়ন পরীক্ষা ও শিক্ষা উপকরণ...
শেরপুর ডপস সদস্যদের মূল্যায়ন পরীক্ষা ও...
শেরপুর পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি রাশেদের...
শেরপুর পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে...
জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমদাদুল হক ইমদাদ: বেনাপোলে বইছে পরিবর্তনের...
জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমদাদুল হক ইমদাদ: বেনাপোলে...