নড়াইলের সেই আলোচিত মৎস্য কর্মকর্তাকে বদলি

প্রকাশিত: ১:২৬ অপরাহ্ণ , ৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

অবশেষে বদলি করা হয়েছে নড়াইল সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হানকে। সম্প্রতি তাকে ঘিরে ঘুষের অভিযোগ, হামলা ও পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে মৎস্য অধিদপ্তর এ বদলির আদেশ জারি করে।

মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে মো. আবু রায়হানকে খুলনার তেরখাদা উপজেলায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়।

একই সঙ্গে নড়াইল সদরের দায়িত্ব কালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, গত ২ জুলাই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) তিনি খুলনার তেরখাদায় নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেন। এদিকে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই তিনি ছুটিতে ছিলেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জুন ‘নড়াইলে মৎস্য অফিসারের কক্ষ ভাঙচুর, থানায় মামলা’ এবং ৩০ জুন ‘ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হামলা ও মামলার অভিযোগ’ শিরোনামে বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়।

এর আগে, গত ২৮ জুন রাতে অফিস কক্ষে ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা এবং তাকে মারধরের অভিযোগ এনে নড়াইল সদর থানায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. জিসানুরসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান।

পরদিন (৩০ জুন) সংবাদ সম্মেলন করে মামলার বাদী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. জিসানুর।

তিনি দাবি করেন, প্রদর্শনী বরাদ্দের নামে নেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয় এবং পরে তাকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়।

তবে মো. আবু রায়হান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

যদিও মৎস্য অধিদপ্তরের বদলির আদেশে বদলির কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ও অভিযোগকে ঘিরে আলোচনার মধ্যেই তার এই বদলি হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর