• জাতীয় শীর্ষ সংবাদ
  • মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন 

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন 

প্রকাশিত: ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ , ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

শফিকুল ইসলাম,জবিঃ আজ (১৬ ডিসেম্বর ২০২৪-সোমবার) মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম, পিএইচডি এর নেতৃত্বে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, জবি সাংবাদিক সমিতি, জবি প্রেস ক্লাব, জবি রিপোর্টাস ইউনিটি, ছাত্র সংগঠন নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে একে একে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে সাভারে জাতীয় স্মৃতি সৌধ পুষ্প অর্পনের পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি স্যার সবার উদ্দেশ্য বলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ছিলেন এবং যারা শহীদ হয়েছেন, যে সকল মা বোনদের সম্মান হানি হয়েছিলো সকলের প্রতি আমার দোয়া, ভালোবাসা, সমবেদনা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি৷

তিনি আরও বলেন যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের মহান শহীদেরকে প্রাণ উৎসর্গ করতে উৎসাহিত করছিলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতান্ত্র, গনতান্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। দুঃখের সহিত জানাচ্ছি যে, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরে এসেও আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছি না। দেশের সকল মানুষের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন আমরা যদি দেশের সকল মানুষের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে না পারি তাহলে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত বৃথা যাবে। তাই, এখন সময় এসেছে দেশের সকল পর্যায়ের মানুয়ের বাকস্বাধীনতা, চিন্তারস্বাধীনতা চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া। সকলেই দল মত নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হয়ে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একে অন্যের স্বাধীনতা রক্ষা করি।