কুমিল্লার গৌরিপুর বাজারের যাত্রী ছাউনির সেপটিক ট্যাঙ্কের ওয়াল নির্মাণে বাঁধা

প্রকাশিত: ৫:২৯ পূর্বাহ্ণ , ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, বুধবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর বাজারের যাত্রী ছাউনির সেফটিক ট্যাঙ্কের ওয়াল নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, সড়ক ও জনপদের জায়গায় দুটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করে কুমিল্লা জেলা পরিষদ। এর একটি যাত্রী ছাউনি চলতি বছরের ১ লা এপ্রিল সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ৯৯ বছর মেয়াদে জেলা পরিষদ থেকে লিজ পায় আবদুল্লাহ। যা প্রতি তিন বছর পর পর নবায়ন যোগ্য।

লিজ পাওয়ার পর থেকে জেলা পরিষদের সকল নিয়ম কানুন মেনে প্রতি মাসে মাসিক ভাড়াও পরিশোধ করে আসছেন আব্দুল্লাহ। তবে যাত্রী ছাউনির ভিতরে থাকা দুইটি টয়লেট ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পরলে সেটিকে ব্যবহারযোগ্য ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করাসহ বাজারের ক্রেতা বিক্রেতাদের সুপিয় পানি পান করতে আবদুল্লাহর নিজ উদ্যোগে একটি গভীর নলকুপ সাবমারসিবল বসানো সেপটিক ট্যাঙ্কের নিরাপদের জন্য ওয়াল নির্মাণ করতে ২৭ আগস্ট জেলা পরিষদের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন আবদুল্লাহ।

আবেদনের প্রেক্ষিতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম ভূঞাকে পরিদর্শন ও মনিটরিং করার নির্দেশ দেন প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) তাসলিমুন নেছা।

যাত্রী ছাউনির লিজ দাতা আব্দুল্লাহ বলেন, আমি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ পাই যাত্রী ছাউনিটি যা প্রতি তিন বছর পর পর নবায়ন যোগ্য। আমি জেলা পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসে মাসে ভাড়াও পরিশোধ করে আসছি।

তিনি আরও বলেন,যাত্রী ছাউনির সেফটিক ট্যাঙ্কির নিরাপদের জন্য সাইট ওয়াল নির্মাণ ও বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা সুপিয় পানের জন্য একটি গভীর নলকুপ সাবমারসিবল বসাতে জেলা পরিষদের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করি।

আবেদনে প্রেক্ষিতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা এসে পরিদর্শন করে এবং ওয়াল নির্মাণ করার অনুমতি দেন। আমি ওয়াল নির্মাণ করার কাজ শুরু করলে মুকবুল সরকার ও মাহাবুব সরকার বা এসে বাঁধা দেয়।

এবিষয়ে মুকবুল সরকার বলেন,আমাদের কাছে খবর আসে সিএনজি স্টেশনের জায়গায় ওয়াল নির্মাণ করছে আব্দুল্লাহ। আমরা ঘটনা স্থলে গিয়ে জানতে চাইলে আব্দুল্লাহ বলেন,জেলা পরিষদের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি ওয়াল নির্মাণ করছেন। পরে আমরা চলে আসি।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম ভূঞা বলেন,সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে আব্দুল্লাহ যাত্রী ছাউনির দোকান ঘরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ পেয়েছেন, যা প্রতি তিন বছর পর পর নবায়ন যোগ্য। এবং যাত্রী ছাউনির সেপটিক ট্যাঙ্কির নিরাপদের জন্য একটি ওয়াল নির্মাণ করতে জেলা পরিষদ থেকে আমরা অনুমতি দিয়েছি। এখানে কারো বাঁধা দেওয়ার সুযোগ নেই।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর