• চট্রগ্রাম দেশজুড়ে
  • খাগড়াছড়িতে নিরাপদ মাতৃত্বে স্বাভাবিক প্রসবের গুরুত্ব ও সিজারিয়ানের যৌক্তিক ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা

খাগড়াছড়িতে নিরাপদ মাতৃত্বে স্বাভাবিক প্রসবের গুরুত্ব ও সিজারিয়ানের যৌক্তিক ব্যবহার বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশিত: ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ , ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 5 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে স্বাভাবিক প্রসবের গুরুত্ব এবং সিজারিয়ান প্রসবের যৌক্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে খাগড়াছড়িতে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাবারাং কল্যাণ সমিতি-এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ (Bangladesh Health Watch)-এর সহযোগিতায়, Sweden Sverige-এর সহায়তায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের-এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও স্বাস্থ্য বিভাগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম সুমন, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফারুক আবদুল্লাহ। এছাড়া বক্তব্য দেন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আশুতোষ চাকমা এবং খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জয়া চাকমাসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

বক্তারা বলেন, দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসবের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসাগত জটিলতা ছাড়া স্বাভাবিক প্রসবই সবচেয়ে নিরাপদ ও উপযোগী পদ্ধতি। অযৌক্তিক সিজারিয়ান অপারেশন মা ও শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাভাবিক প্রসববান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা এবং জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সহ-সভাপতি অংপ্রু মারমা। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ-এর পক্ষ থেকে একজন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি নিরাপদ মাতৃত্ব ও সিজারিয়ান প্রসব সংক্রান্ত একটি তথ্যভিত্তিক ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাতৃস্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সিজারিয়ান প্রসবের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর