নাকুগাঁও স্থলবন্দরে এইচএমপিভি ভাইরাসের সতর্কতা নেই

প্রকাশিত: ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ , ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

এইচএমপিভি ভাইরাস(হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস) প্রতিরোধে কোনো প্রকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দরে । ইতোমধ্যে ভারতসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে এইচএমপিভি ছড়িয়ে পড়েছে। নাকুগাঁও স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোষ্টে এইচএমপিভি প্রতিরোধে নেই কোনো প্রকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই যাত্রীরা এই বন্দরে ইমিগ্রেশন করে ভারত ও ভুটানে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি পণ্য নিয়ে ট্রাকচালক ও হেলপাররা দুই দেশে আসা-যাওয়া করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, এইচএমপিভি ভাইরাস এমন নাম শুনিনি এখনো, করোনা ভাইরাসের নাম শুনেছিলাম। করোনার সময় এই বন্দর বন্ধ ছিল। যদি নতুন করে এই ভাইরাস আসে তাহলে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। এই বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই যাত্রীরা যাতায়াত করছেন। প্রয়োজন হলে বন্দরের ভিতরে কিংবা বাইরে পরীক্ষা করার যন্ত্রপাতি বসানো উচিত।

নাকুগাঁও স্থলবন্দরের সহকারি পরিচালক (এডি) জাহিদুল ইসলাম বলেন,এখনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যম দিয়ে সরকারিভাবে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। যার ফলে এই বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই যাত্রীরা যাতায়াত করছেন। যেহেতু এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই। সেহেতু মৌখিকভাবে সচেতন করে যাচ্ছি আমরা। যদি আমাদের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চেয়ারম্যান মহোদয় কোনো নির্দেশনা দেন, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা সেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তিনি আরও বলেন, এই বন্দর দিয়ে মূলত ভারত ও ভুটান থেকে যাত্রী পারাপার বেশি হয়। গত মাসে এই বন্দর দিয়ে প্রায় তিন শতাধিক যাত্রী পারাপার করেছেন। এখন যারা পারাপার হচ্ছেন তাদেরকে আমরা মৌখিকভাবে সচেতন করছি এবং পরামর্শ দিচ্ছি। যাতে নিয়মিত মাস্ক পড়েন এবং দু’হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করেন।

শেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি। নির্দেশনা পেলে অবশ্যই সেভাবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করবে। তিনি বলেন, এই ভাইরাসে কেউ যদি আক্রান্ত হয়। তাহলে সাধারণত জ্বর, সর্দি ও কাশি হয়। নাক বন্ধ হয়ে যায়। শরীরে কিছু ব্যথা অনুভব হয়।

এটি সাধারণত জ্বরের মতো। তবে শিশু, বয়স্ক ও বয়স্ক যে-সব ব্যক্তি ক্যানসার বা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে, তবে ভয়ের কিছু নেই।