পানছড়িতে স্যাম ইউনিটে চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর

প্রকাশিত: ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ , ১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 week আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে (Severe Acute Malnutrition—SAM) আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর ও মানসম্মত করতে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটে প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস ও চিকিৎসা উপকরণ হস্তান্তর করা হয়েছে।

গতাকল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়। হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির বাস্তবায়নে ‘Access to and Utilization of Lifesaving Services by Marginalized Communities in Chittagong Hill Tracts in Bangladesh’ প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অনুতোষ চাকমা, জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, প্রকল্প সমন্বয়কারী বিনোদন ত্রিপুরা, উপজেলা সমন্বয়কারী রাখী ত্রিপুরা, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস অফিসার জোনাকি ত্রিপুরাসহ প্রকল্পের কর্মী ও স্যাম ইউনিটের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. অনুতোষ চাকমা বলেন, স্যাম শিশুদের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করায় হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এতদিন লজিস্টিকসের কিছু ঘাটতি ছিল। এখন প্রয়োজনীয় উপকরণ পাওয়ায় অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা ও সেবা দেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, স্যাম শিশুদের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হস্তান্তর করা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, খাগড়াছড়ির সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে স্যাম ইউনিট স্থাপনে সহযোগিতা করা হচ্ছে। প্রকল্পের মাধ্যমে স্যাম ও মাঝারি তীব্র অপুষ্টিতে (MAM) আক্রান্ত শিশু শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের পুষ্টি ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণে সহায়তা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও জাবারাং কল্যাণ সমিতির সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপুষ্টির হার কমাতে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।

আয়োজকরা জানান, স্যাম ইউনিটে প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস ও চিকিৎসা উপকরণ নিশ্চিত হওয়ায় পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর