
মো.সাহিদুল ইসলাম শাহীনঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে বেনাপোল সীমান্ত জনপদ। এরই ধারাবাহিকতায় বেনাপোল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের গাজীপুর গ্রামে ধানের শীষের সমর্থনে এক বিশাল নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মো.মাকসুদুর রহমান রিন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত
শনিবার(৩১ জানুয়ার্রি) সন্ধ্যায় মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঔ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন,৮৫,যশোর-১(শার্শা) আসনে ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী মো.নুরুজ্জামান লিটন।
বক্তাগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-শার্শা উপজেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা- মো.খায়রুজ্জামান মধু,সভাপতি-হাসান জহির,বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সভাপতি-মো.নাজিম উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক-আবু তাহের ভারত,সহ-সভাপতি-নসিমুল গনি বল্টু,এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি, মফিজুর রহমান সজন,মো.সাহাবুদ্দিন,সাংগঠনিক সম্পাদক-আক্তারুজ্জামান,যুবদল সদস্য সচিব-রায়হানুজ্জামান দিপু,ছত্রদল সদস্য সচিব-ইশতিয়াক আহম্মেদ শাওন।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
পথসভায় বক্তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং স্থানীয় উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসা প্রধান বিষয়গুলো।
ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান। বেনাপোল পৌরসভার অবহেলিত ওয়ার্ডগুলোর রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান। গাজীপুর গ্রাম ধানের শীষের চিরকালীন দুর্গ। এই জনপদের মানুষ সবসময় ন্যায়ের পথে থেকেছে। এবারের নির্বাচনেও ব্যালটের মাধ্যমে তারা তার প্রমাণ দেবে।
বিকেল গড়াতেই আশপাশের পাড়া-মহল্লা থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন আর “ধানের শীষ” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো গাজীপুর এলাকা। শান্তিপূর্ণভাবে সভাটি সম্পন্ন করতে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক
আবু তাহের ভারত-বিএনপি’র সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি পাঁচবার রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে এবং দেশ গঠনে তাদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, একমাত্র বিএনপিই দেশকে সুসংগঠিত করতে সক্ষম।
গত সাড়ে ১৫ বছরে বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক, শিক্ষা, বিচার বিভাগ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশকে পুনরায় সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে তিনি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে আলহাজ্ব নূরুজ্জামান লিটনকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশকে উন্নতের দিকে নিয়ে যাবেন বলে তিনি মনে করেন।
জামায়াতে ইসলামীর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রি করছে। তিনি কৃষক, রিকশাচালক ও সাধারণ মানুষকে এসব বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি উপস্থিত জনতাকে প্রশ্ন করেন যে—পৃথিবী, বেহেশত ও দোজখের সৃষ্টিকর্তা কে? উপস্থিত জনতা সমস্বরে ‘আল্লাহ’ উত্তর দিলে তিনি যুক্তি দেন যে, যদি সবকিছু আল্লাহর সৃষ্টি হয়, তবে কোনো রাজনৈতিক দল কীভাবে কাউকে বেহেশতে পাঠানোর নিশ্চয়তা দিতে পারে? তারা শুরু থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে মিথ্যা কথা বলে আসছে।
তিনি ধর্মীয় অনুশাসনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ তায়ালা সৎ কাজের নির্দেশ দিয়েছেন এবং কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে পরকালের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। একবার সত্য কথা বললে ৭০ হাজার বছর জান্নাতে থাকা সম্ভব। অন্যদিকে, একটি মাত্র মিথ্যা কথা বললে ৭০ হাজার বছর জাহান্নামে অবস্থান করতে হতে পারে।
প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন উপস্থিত সকলের প্রতি সালাম জানিয়ে বক্তব্যের শুরুতেই ভালো এবং খারাপ কাজের পরিণাম সম্পর্কে বলেছেন। ভালো কাজ করলে ভালো হবে এবং খারাপ কাজ করলে খারাপ হবে এই বিষয়টি উনি গুরুত্ব দিয়ে বোঝাচ্ছেন।
এরপর তিনি জামায়াতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেছেন যে তারা যা বলে তা আল্লাহর সাথে শিরিক হয়ে যাওয়ার মতো। বক্তা হাশরের ময়দান এবং বিচার দিবস নিয়ে বলছেন যে সেদিন হাশরের ময়দানে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) সকল উম্মতের জন্য কাঁদবেন কিন্তু অন্য নবীরা সবাই ইয়া নফসি ইয়া নফসি করবেন। সেই দলটি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগ এবং ইসলামকে ব্যবহার করছে।
তিনি আরও কিছু নির্দিষ্ট বিষয় তিনি তুলে ধরেন:-
যারা ইসলামের কথা বলে রাজনীতি করছে, তারা কি ক্ষমতায় গেলে আযান দিলে দোকানপাট ও অফিস-আদালত বন্ধ করে নামাজ বাধ্যতামূলক করার কোনো আইন তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে রেখেছে? যারা ইসলামের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করে, তারা কি নারীদের জন্য নির্দিষ্ট পর্দার আইন করার কথা সরাসরি বলতে পারবে? তার মতে, তারা এগুলো মুখে বললেও বাস্তবে বা আইনি কাঠামোর ইশতেহারে উল্লেখ করার সাহস রাখে?
দলটি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। তিনি উপস্থিত জনতাকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, ভোট জনগণের পবিত্র আমানত এবং তারা যেন কোনো প্রলোভনে পা না দেন।
বিএনপির রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জনগণের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি করে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তা পাবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রতিটি পরিবারকে ২,০০০ থেকে ২,৫০৯ টাকা করে দেওয়া হবে। এই অর্থ সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
এই সুবিধা পাওয়ার জন্য কোনো নেতা, চেয়ারম্যান বা এমপির কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। কার্ডটি করার ক্ষেত্রেও কোনো প্রকার ভোগান্তি পোহাতে হবে না। সরকার পরিবর্তনের পর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তালিকা তৈরি করা হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেভাবে মানুষ বিকাশে ঘরে বসে টাকা পায়, ঠিক সেভাবেই এই ফ্যামিলি কার্ডের টাকাও সরাসরি মোবাইলে বা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।
বর্তমান ব্যবস্থায় বয়স্ক ও বিধবা ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের যে কষ্ট হয়, তার সমালোচনা করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এই হয়রানি চিরতরে বন্ধ হবে।
কৃষকদের জন্য সার, বীজ, কীটনাশক এবং কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে প্রদান করা হবে।
কৃষকরা যেন কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া ব্যাংক থেকে সহজেই ঋণ পেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা হবে। কৃষিকাজে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে যেন কৃষকদের অন্যের কাছে হাত পাততে না হয়।
তারেক রহমান-এর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে কেউ যা ভাবেনি, বিএনপি তা করতে চায়। দেশের সকল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খতিবদের জন্য মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করা হবে।
বর্তমানে ধর্মীয় নেতাদের যে সামান্য সম্মানী দেওয়া হয়, তা পর্যাপ্ত নয়। তাই ক্ষমতায় গেলে তাদের জীবনমান উন্নয়নে স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এই সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ তখনি সম্ভব হবে যদি সাধারণ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করতে সহায়তা করবে। এই সুবিধা শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং হিন্দু, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের জন্যও কার্যকর হবে। দুই ঈদে এবং অন্যান্য ধর্মের প্রধান উৎসবগুলোতে ধর্মীয় নেতাদের বিশেষ উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে। দেশের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে সহায়তার জন্য প্রতি মাসে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যাতে তাদের পরিবারে স্বচ্ছলতা আসে।
প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে বলেন, তারা কোনো সুনির্দিষ্ট ইশতেহার বা উন্নয়নের কথা না বলে কেবল ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান যাতে তারা কারো ‘ধোঁকায়’ না পড়েন।
তিনি বলেন, বেনাপোলে একটি আধুনিক হাসপাতাল এবং মানসম্মত স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি উপস্থিত জনগণকে জিজ্ঞেস করেন তারা সরকারি ডাক্তারদের সেবা এবং ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চান কি না।
তিনি বেনাপোল ডিগ্রি কলেজের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, গত ২০-২৫ বছর ধরে কলেজের উন্নয়নের কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি।
কলেজটি এখনও এমপিওভুক্ত (MPO) হতে পারেনি।
অনেক শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে কোনো বেতন পাচ্ছেন না। কেউ ৫-১২ বছর ধরে বিনা বেতনে শুধুমাত্র সম্মান রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছেন।
রাজনৈতিক সমালোচনা করে তিনি বলেন, একজন যোগ্য সংসদ সদস্য বা এমপি না থাকার কারণে এই এলাকাটি উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে আছে। তিনি পার্শ্ববর্তী এলাকার উদাহরণ দিয়ে বলেন সেখানে কয়েক বছরের ব্যবধানে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হয়েছে, অথচ বেনাপোল অবহেলিত রয়ে গেছে।
তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তারেক রহমান অমিতের মতো মানবিক নেতা সারাদেশে তৈরি করতে চান।
নুরুজ্জামান লিটন নিজ সম্পর্কে বলেন, আমি এই গ্রামের সন্তান,আমার সাথে যোগাযোগের জন্য কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হয় না। ভোটাররা সরাসরি তাকে যে কোনো সমস্যার কথা বলতে পারবেন এবং প্রয়োজনে “হুকুমের সুরে” কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। তিনি আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করার অনুরোধ জানান। তিনি ১২ তারিখে সকলকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান করেন।
নিজেকে জনগণের ভাই, সন্তান এবং সেবক হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তার দ্বারা কখনো অসম্মানিত বা অবহেলিত হবেন না।
তিনি আগামী ১২ তারিখ সকালে সকলকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
সবশেষে,অনুষ্ঠান মঞ্চের সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টু, তার সমাপনী বক্তব্যে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে সালাম জানিয়ে বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ মার্কায় ভোট দিয়ে লিটনকে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানান।
সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে “ইনশাআল্লাহ” লিটনের বিজয় হবে—এই আশা ব্যক্ত করে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন,বেনাপোল পৌর ছাত্রদল আহবায়ক মো.আরিফুল ইসলাম আরিফ।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
গৃহপরিচারিকা থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেন কলিতা
গৃহপরিচারিকা থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেন কলিতা
উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং, কিমের আমন্ত্রণে বিরল...
উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং, কিমের...
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১৭ অঞ্চল, সপ্তাহজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১৭ অঞ্চল, সপ্তাহজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির...
লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’...
লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ...
এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার
এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ...
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফের পদ্মায় ডুবলো বাস, চালক-হেলপার উদ্ধার
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফের পদ্মায় ডুবলো বাস,...