ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদে আজম উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

প্রকাশিত: ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

আজ ১২ই রবিউল আওয়াল দয়াময় আল্লাহতাআলার পরম রহমত হিসেবে সমগ্র মানবমন্ডলীর দোজাহানের সর্বকল্যাণ ও মুক্তি সাধনায় দুনিয়ায় প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভাগমন ঈদে আজম উদ্যাপন উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড সুন্নী মুভমেন্ট ও ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিটি রেভুলুশন বি-বাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের রেল স্টেশন চত্তরে প্রদক্ষিণ করে এক শোকরিয়া আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও সালাতু সালামসহ মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

তবে সংগঠনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ পৈরতলা বাস স্ট্যান্ড থেকে শেখ জালাল শাহ রহ মাজার শরীফ প্রাঙ্গণে জুলুস করার প্রস্তুতি থাকলেও ভোর থেকেই কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররা জমায়েতের স্থানে ও শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হতে থাকায় বিশ্ব সুন্নী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ জুলুসের স্থান পরিবর্তন করে বি-বাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে জুলুস সম্পন্ন করেন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা ইমাম হায়াতের নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা সুফি আল্লামা আহমদ শাহ মোর্শেদ। বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ হানিফ এবং উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ ও সম্মানিত পীর মাশায়েখ ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষাবিদবৃন্দ। ব্যাপক সংখ্যক ধর্মপ্রাণ জনসাধারণও এতে অংশগ্রহন করেন।

শোভাযাত্রা শেষে বক্তাগণ বলেন, দয়াময় আল্লাহতাআলার সর্বোচ্চ রহমত রূপে সমগ্র মানবমন্ডলীর জন্য সত্যের আলো ও মুক্তির উৎস এবং সকল গুন-জ্ঞান সকল কল্যাণের মূল হিসেবে দুনিয়ায় প্রাণাধিক প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভাগমন দয়াময় আল্লাহতাআলাকে পাওয়ার পরম শোকরিয়া সবোর্চ্চ ঈদ ঈদে আজম।

বক্তাগণ বলেন, দয়াময় স্রষ্টার মহান রাসুল ই সর্বসৃষ্টির জন্য স্রষ্টার আলো ও বন্ধন এবং সর্বোচ্চ অনুগ্রহ; স্রষ্টার পক্ষ থেকে মহান রাসুল ই সমগ্র মানবমন্ডলীর জন্য সকল জ্ঞান-বিজ্ঞান, সকল গুন, সকল কল্যাণের উৎস।

মহান রাসুল ই জীবনের জ্ঞান ও মানবতার প্রাণ উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, সত্য ও মানবতার মহান রাসুলের দিশা ব্যতীত স্রষ্টার বন্ধন যেমন হয় না; তেমনি মহান রাসুলের দিশা ব্যতীত মানবিক অস্তিত্ব, মানবজীবন, জীবনের রাষ্ট্র ও জীবনের দুনিয়াও হয় না।

তাঁরা বলেন, মহান রাসুলের দিশা ব্যতীত জীবন ও জগত মিথ্যা-অবিচার-শোষন-সন্ত্রাস-পাশবতা-দস্যুতা-স্বৈরতার শিকারে রুদ্ধ ও ধ্বংস হয়ে যায়। নেতৃবৃন্দ বলেন, সকল মানুষকে নিজের জীবনের সুরক্ষা-স্বাধীনতা-মর্যাদা ও কল্যাণের স্বার্থে অবশ্যই প্রিয় রাসুল কেন্দ্রীক হতে হবে। তাঁরা বলেন, প্রিয় রাসুলের দেয়া মানবতার রাষ্ট্র ও মুক্ত জীবনের অখন্ড দুনিয়া খেলাফতে ইনসানিয়াত ছাড়া বিধ্বংস ও মৃত মানবতাকে বাঁচানোর কোন উপায় নেই।

বক্তাগণ প্রাণাধিক প্রিয়নবী প্রদত্ত ঈমানী জীবন এবং মানবতার রাষ্ট্র ও মানবতার দুনিয়া খেলাফতে ইনসানিয়াত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সত্য ও মানবতার উৎস ঈদে আজম উদযাপন করার আহ্বান জানান

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর