
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয় গতকাল। সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। এরপর শুরু হয় গণনা। রাত ২টা পর্যন্ত বেসরকারিভাবে অনেক আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
এসব ফলাফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই বিএনপি ও দলটির জোটসঙ্গীরা বিজয়ী হয়েছেন। আর একটিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম.এ. হান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৭ হাজার ৭৮৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১২১ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রাথী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট প্রার্থী জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত ইসলামী ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আতাউল্লা। তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মুশফিকুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৮২ হাজার ৪৮০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এম.এ. মান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৪ হাজার ৭৬১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হক তাপস। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৩ হাজার ৯৯৫।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটপ্রার্থী গণসংহতি পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি মাথাল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৪ ভোট।
প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। জেলায় মোট ভোটার ২৬ লাখ ৮ হাজার ৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৩৪০ জন এবং নারী ভোটার ১২ লাখ ৪১ হাজার ৭৩১ জন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর ৩ হাজার ৬৬৩ জন সদস্য নির্বাচনী মাঠে কাজ করেছেন। এছাড়াও নির্বাচনে ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে ছিলেন।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি রাস্তায় রোপণ হবে হাজারো কৃষ্ণচূড়ার চারা
নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি রাস্তায় রোপণ হবে হাজারো...
শেরপুরে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
শেরপুরে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা
জেলা ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত
জেলা ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত
সাপাহারের সন্তান মাহমুদুস সালেহীনকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি করায়...
সাপাহারের সন্তান মাহমুদুস সালেহীনকে কেন্দ্রীয় যুবদলের...
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা জুন-২০২৬ অনুষ্ঠিত
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা জুন-২০২৬...