মাটিরাঙ্গায় ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও পরিবারের পুষ্টি উন্নয়নে অবহিতকরণ কর্মশালা

প্রকাশিত: ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ , ২৫ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টি, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিজ ইন চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় মাটিরাঙ্গা অডিটোরিয়ামে জাবারাং কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।

জাবারাং কল্যাণ সমিতির উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মো. মাঈনুদ্দিন রাজুর সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নারায়ণ ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল এবং মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নাল।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পটি খাগড়াছড়ি জেলার নয়টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং ওয়াশ—পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি—কার্যক্রমের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা, স্বাস্থ্যগত সহনশীলতা এবং জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌঁছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, দুর্গম এলাকার শিশু ও প্রান্তিক পরিবারের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্পের কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

কর্মশালায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর