
শাহরিয়ার মিল্টন ,শেরপুর : শেরপুর জেলার দুটি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই জামানত হারাচ্ছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল পর্যালোচনা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
জামানত হারানো প্রার্থীগণ হলেন, শেরপুর-১ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল হক মনি, এনসিপির প্রার্থী লিখন মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াস উদ্দিন এবং শেরপুর-২ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েস ও এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা।
শেরপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনী বিধি মোতাবেক কোনো প্রার্থী ওই আসনের প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে মোতাবেক যারা নিজ নিজ আসনে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।’
সূত্রমতে, শেরপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ৬ জন। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ১৩৬টি। সে হিসেবে জামানত রক্ষা করতে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৪ হাজার ৩৯২ ভোট।
এর মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৩৪২ ভোট।
এছাড়া ৬২ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল হক মনি লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫১ ভোট, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি’র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫৬ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াস উদ্দিন কাপপিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ২০৫ ভোট।
এ কারণে ওই তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। অপরদিকে শেরপুর-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ৪ জন। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৭২২টি। সে হিসেবে জামানত রক্ষা করতে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৯০ ভোট।
১ লাখ ১৮ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ ভোট।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েস পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭৭ ভোট ও এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা পেয়েছেন ১ হাজার ৩৮ ভোট। পর্যাপ্ত ভোট না পাওয়ায় এ দুজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
পাইকগাছায় গাঁজাসহ দুই যুবক আটক
পাইকগাছায় গাঁজাসহ দুই যুবক আটক
বাকেরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত কারেন্ট জাল পুড়িয়ে...
বাকেরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত কারেন্ট...
সাপাহারে শিরন্টি ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান আলীর গণসংযোগ
সাপাহারে শিরন্টি ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান...
শেরপুর ডপস সদস্যদের মূল্যায়ন পরীক্ষা ও শিক্ষা উপকরণ...
শেরপুর ডপস সদস্যদের মূল্যায়ন পরীক্ষা ও...
শেরপুর পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি রাশেদের...
শেরপুর পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে...
জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমদাদুল হক ইমদাদ: বেনাপোলে বইছে পরিবর্তনের...
জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমদাদুল হক ইমদাদ: বেনাপোলে...