
মো.সাহিদুল ইসলাম শাহীনঃ-দেশের অন্যতম বানিজ্যিক শহর বেনাপোলে সুউচ্চ টাওয়ারের মাধ্যমে এলইডি বাল্বের আলো জ্বালালো বেনাপোল পৌরসভা।অত্যান্ত আধুনিক এবং নান্দনিক ২টি টাওয়ারের মধ্যে ১টি নির্মান করা হয়েছে বেনাপোল বাজারের কেন্দ্রস্থল সোনালী ব্যাংক পিএলসি চত্বরে এবং অপরটি নির্মান করা হয়েছে বেনাপোল সীমান্তের চেকপোষ্ট এলাকায়।
পৌরসভা কার্যালয়ের প্রকৌশলী মো.মফিজুর রহমান জানান,প্রতিটি সুউচ্চ টাওয়ারে ৩০০ ওয়াট সম্পন্ন মোট-৬টি লাইট এমিটিং ডায়োড(এলইডি) বাল্ব স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বাল্বের আলোক রশ্মি ছড়াবে প্রায় ৩০০মিটার দুর পর্যন্ত। সম্পূর্ণ পৌর অর্থায়নে নির্মিত টাওয়ার দুটি’র একটি’র উচ্চতা ৬০ ফিট(সোনালী ব্যাংক চত্বর),নির্মানে ব্যয় হয়েছে ৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকা এবং অপরটি’র উচ্চতা ৫০ ফিট,এটি নির্মানে ব্যয় হয়েছে ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। টাওয়ার দুটি নির্মানে মোট সময় লেগেছে প্রায় ৪৫ দিন।
মঙ্গলবার(৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বৈদ্যুতিক স্যুইচ অন করে টাওয়ার দুটি’র বাল্বগুলি জ্বালিয়ে বেনাপোলের প্রাণকেন্দ্রে আলোক রশ্মি ছড়িয়ে দেন বেনাপোল পৌরসভার প্রশাসক ও শার্শা উপজেলার নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) কাজী নাজিব হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী অফিসার ও শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভূমি) নুসরাত ইয়াসমিন। বেনাপোল পোর্টথানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো.রাসেল মিয়া।

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌরসভা কার্যালয়ের সচিব-সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-বিএম রনি,প্রকৌশলী মো.মফিজুর রহমান,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-মো.হাফিজুর রহমান সহ পৌরসভা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
প্রসঙ্গতঃ দেশের দক্ষীন-পশ্চিম কোনে অবস্থান যশোর জেলার সীমান্ত শহর বেনাপোল। সড়ক ও রেলপথে ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে সংযুক্ত করেছে বন্দরনগরী বেনাপোল।
১৯৭৮ সালের মাঝামাঝি বাংলাদেশ সরকার এখানে একটি স্থলবন্দর গড়ে তোলে। ক্রমাগত বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হওয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ একটি স্থলবন্দরে পরিণত হয় এটি। বন্দর কেন্দ্রীক ব্যবসায়-বাণিজ্যের সম্প্রসারণের ফলে বেনাপোল শহরটি হয়ে উঠেছে অর্থনৈতিকভাবে প্রাচুর্যপূর্ণ ও ঐশ্বর্যশালী। দেশের জিডিপির বড় একটি অংশীদার বেনাপোল কাস্টমস। বছরভর শুল্ক আদায়ের মাধ্যমে বন্দরটির কাস্টমস’র রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
বৈদেশিক বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল ছাড়াও বন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশে যাতায়াতের ক্ষেত্রে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট। বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশি-বিদেশি হাজার হাজার পর্যটক দুই দেশে যাওয়া আসা করেন। ভ্রমণকারীদের যাত্রা বিরতির সুবিধার্থে এখানে সরকারি একটি পর্যটন মোটেলসহ বহুসংখ্যক আধুনিক মানের আবাসিক হোটেল ও রেস্তেরাঁ গড়ে উঠেছে। দেশের প্রায় সবকটি ব্যাংকের শাখা রয়েছে বেনাপোলে।
মন্তব্য লিখুন
আরও খবর
গৃহপরিচারিকা থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেন কলিতা
গৃহপরিচারিকা থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেন কলিতা
উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং, কিমের আমন্ত্রণে বিরল...
উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং, কিমের...
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১৭ অঞ্চল, সপ্তাহজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১৭ অঞ্চল, সপ্তাহজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির...
লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ বাবাকে ‘মিথ্যাবাদী’...
লাইভে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা দিয়ে পুলিশ...
এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার
এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ...
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফের পদ্মায় ডুবলো বাস, চালক-হেলপার উদ্ধার
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফের পদ্মায় ডুবলো বাস,...