• ঢাকা দেশজুড়ে
  • মশুরিখোলা দরবার শরীফে তিন মহান ব্যক্তিত্বের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মশুরিখোলা দরবার শরীফে তিন মহান ব্যক্তিত্বের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৫:০৬ পূর্বাহ্ণ , ২১ আগস্ট ২০২৫, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 10 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

নজরুল ইসলাম এরশাদ নোয়াখালীঃ সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইসলামিক থট এর আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক বিশেষ “স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জাতির বিশিষ্ট তিনজন মহাপুরুষকে স্মরণ করা হয়—মশুরীখোলা দরবার শরীফের সম্মানিত পীর সাহেব আল্লামা শাহ মুহাম্মাদ আহছানুজ্জামান (রহঃ), বিশিষ্ট তাসাউফ গবেষক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণু বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এম শমশের আলী (রহঃ) এবং বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ (ডেন্টাল ইউনিট) এর সাবেক প্রিন্সিপাল ও করোটিয়া দরবারের সম্মানিত খলিফা প্রফেসর ডা. আমিরুল ইসলাম (রহঃ)।

স্মরণসভায় প্রধান অতিথি, প্রফেসর ড.আতাউর রহমান মিয়াজি স্যার অধ্যক্ষ,আল্লামা মুফতি আবু জাফর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন হাফিজাহুল্লাহ অধ্যক্ষ ড.মুহাম্মাদ বদিউল আলম সরকার হাফিজাহুল্লাহ অধ্যক্ষ,মাহমুদা খাতুন মহিলা কামিল মাদরাসা
সহকারী অধ্যাপক ড.মুহাম্মাদ মাসুম বাকি বিল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশেষ অতিথি,ড.আহমদ হাসান গাজীপুরী,মাওলানা মুহাম্মাদ মাকসুদুল হাসান, আরবি প্রভাষক,মোহাম্মদ মুজিবুল হক রাহমানী (ইমন)সাংস্কৃতিক সংগঠক,ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

বক্তারা বলেন। আল্লামা শাহ মুহাম্মাদ আহছানুজ্জামান (রহঃ) ছিলেন আধ্যাত্মিক সাধক ও দরবার শরীফের আলোকবর্তিকা, যিনি সারা জীবন মানবকল্যাণ ও ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন।

প্রফেসর ড. এম শমশের আলী (রহঃ) শুধু একজন পরমাণু বিজ্ঞানী নন, বরং তাসাউফ ও আধ্যাত্মিক গবেষণার মাধ্যমে সমাজে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ধর্মের সমন্বিত চেতনা জাগিয়ে তুলেছিলেন।

অন্যদিকে প্রফেসর ডা. আমিরুল ইসলাম (রহঃ) ছিলেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের একজন আলোকিত ব্যক্তিত্ব। একই সঙ্গে তিনি করোটিয়া দরবারের খলিফা হিসেবে আধ্যাত্মিক সাধনা ও মানবসেবায় অনন্য অবদান রেখে গেছেন।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত আলেম-ওলামা, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, মুরিদ ও ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্মরণসভা শেষে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।

বক্তারা তিন মহান ব্যক্তিত্বের জীবনাদর্শ অনুসরণ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, তাদের শিক্ষা, গবেষণা, দীক্ষা ও মানবকল্যাণের কর্মধারা আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।