লাখো মানুষের অংশগ্রহণে সফল ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল

প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ , ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মোঃ মিজান লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত লোহাগাড়ায় বিশাল গণমিছিলে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সোমবার (৯ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ নির্ধারিত স্থানে ( মাশাবি চত্বরে) জড়ো হতে থাকেন।

গণমিছিলে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের বিভিন্ন নীতির প্রতিবাদ, নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে স্লোগান দেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিছিলের পথ।

১১ দলীয় জোটের নেতারা বলেন, এই গণমিছিল প্রমাণ করে চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জনগণ পরিবর্তন চায়। তারা দাবি করেন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

গণমিছিল ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা বলেন, এই গণমিছিল প্রমাণ করে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের মানুষ আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন মেনে নেবে না।

তারা বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার দীর্ঘদিন ধরে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, প্রশাসন ও ক্ষমতাসীনদের প্রভাবমুক্ত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো নিশ্চিত হয়নি।

স্থানীয় নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের সাংগঠনিক শক্তি দিন দিন আরও সুসংহত হচ্ছে।

এই গণমিছিলের মাধ্যমে তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, জনগণ তাদের সঙ্গে রয়েছে এবং আগামী দিনের আন্দোলনে আরও বড় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গণমিছিলে সমাপনী বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আজকের উপস্থিত সর্বস্হরের জনসাধারণ প্রমাণ করেছে, জনগণ আর অন্যায় ও অবিচারের রাজনীতি মেনে নেবে না।

আজকের গণমিছিলে ছোট থেকে শুরু করে বয়স্ক আমার বাবারাও উপস্থিত ছিলেন৷ লাখো মানুষের শান্তিপূর্ণ উপস্থিতি প্রমাণ করে, এই এলাকার মানুষ তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, আমি চট্টগ্রাম-১৫ এর সাহসী জনগণ, তরুণ সমাজ, নারী ও শ্রমজীবী মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের আন্দোলনকে নতুন শক্তি ও প্রেরণা দিয়েছে। জনগণের এই ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।আগামী ১২তারিখ জনগন তার ভোটের মাধ্যমে আবারো প্রমাণ করবে আগামীর বাংলাদেশ ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ৷

শাহজাহান চৌধুরী প্রশাসনের প্রতি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে স্লোগানের মধ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন৷