কেন্দুয়ায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

প্রকাশিত: ২:২৩ অপরাহ্ণ , ২১ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 month আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মজিবুর রহমান,নেত্রকোণাঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এম ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহর ওপর দফায় দফায় হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ নানা বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন সহকারী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

একপর্যায়ে এ দ্বন্দ্বে স্থানীয় কিছু লোক জড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মনকান্দা গ্রামের আবু সাঈদ শহীদ মড়ল ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় তারা বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেয় এবং অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে। পরে অধ্যক্ষের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা চলে যায়।

পরদিন সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে মনকান্দা গ্রামের মাওলানা তৌহিদুল ইসলাম কারিগরি স্কুলের সামনে অধ্যক্ষের পথরোধ করে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ জানান, এ পর্যন্ত আমার ওপর পাঁচবার হামলা চালানো হয়েছে। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং মাদ্রাসায় যেতে ভয় পাচ্ছি। তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সুযোগ খুঁজছে।

এ ঘটনায় তিনি থানায় পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আবু সাঈদ শহীদ মড়ল মুঠোফোনে জানান, এলাকার ছেলেরা গেছে, আমি যাইনি। ফেসবুকে যে অডিওটি প্রচার হচ্ছে সেটি অনেক আগের।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।