• ঢাকা দেশজুড়ে
  • মধুমতি নদী ভাঙ্গনরোধে মাদ্রাসা ছাত্রদের বিশেষ মোনাজাত

মধুমতি নদী ভাঙ্গনরোধে মাদ্রাসা ছাত্রদের বিশেষ মোনাজাত

প্রকাশিত: ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ , ৩১ অক্টোবর ২০২৪, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

শেখ সালমান আহমেদ,মধুখালীঃ ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের গয়েশপুর , বকসিপুর , জারজরনগর, বিজয় নগর, চরকসুন্দি এই পাঁচ গ্রামের মানুষ মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের থেকে রক্ষা পেতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে জন্মস্থান আর বিভিন্ন স্থাপনাকে রক্ষা করতে করছেন বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা। বিভিন্ন অফিসে এলাকার মানুষ ঘুরে ঘুরে ভাঙ্গনের হাত থেকে কোন প্রকার প্রতিকার ব্যবস্থা না পেয়ে, নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসি ও স্থানীয় মাদ্রাসার ছাত্রদের নিয়ে বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়।

মোনাজাত পরিচালনা করেন গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার মাওলানা ইয়াসির আরাফাত। এতে অংশ নেন গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ভাঙ্গন কবলিত ৫ গ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষ।

এ মোনাজাতে অংশ নিয়ে আকবর মন্ডল, নজরুল ইসলাম, বাহের ফকির, গয়েশপুর মুসলীহুল উম্মাহ্ কওমী মাদ্রাসার তাওহীদুল ইসলাম বলেন, নদীর পানি কমার সাথে সাথে প্রায় ১৫দিন ধরে নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে এত করে প্রতিদিনই কৃষি জমি ভেঙ্গে পড়েছে।

আরো ভাঙ্গন ঝুকিতে রয়েছে কৃষি জমি, বাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদ। এলাকাবাসি আরো জানান ইতিমধ্যে ওই গ্রামগুলোর ২০টি বাড়ি ও অনেক কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

হুমকির মুখে রয়েছে দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি হাই স্কুল, ৭টি মসজিদ, ১টি মাদ্রাসাসহ অসংখ্য স্থাপনা। এলাকাবাসি যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে নদী ভাঙ্গনরোধে বাঁধ নির্মানের জোর দাবি জানিয়ে আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এব্যাপারে কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিব হোসেন চৌধুরী বলেন, “আমি এই গ্রামগুলো ও কৃষিজমি এবং ঘরবাড়ী মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো রক্ষার্থে ইতমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযেগ করেছি”।

নদী ভাঙ্গনরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ফরিদপুর জেলা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সন্তোষ কর্মকার জানান আমরা এবিষয়ে উপরোন্ত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি।