নিয়ামতপুরে বিএনপির ৩১ দফা রূপকল্প বাস্তবায়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৩:১২ অপরাহ্ণ , ১৭ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

নাহিদ হাসান, নওগাঁঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নে এক উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় গাংইল মহাভার মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ডা. মো. ছালেক চৌধুরী,(নওগাঁ-১ নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম রেজা চৌধুরী (বাদশা), চন্দননগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদি, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল ছাত্তার এবং হাজিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ভিপি প্রমুখ।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি সেকেন্দার আলী ছবেদ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান সুমন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. ছালেক চৌধুরী বলেন, “তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করে দেশের কল্যাণে এই রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা ভারতের দাদাগিরি চাই না। আমরা বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশকেই ভালোবাসি। এই মাটিকে ঘিরেই আমাদের সকল প্রত্যাশা।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, দুর্নীতিগ্রস্ত কোনো ব্যক্তিকে ছাড় দেব না। অন্যায়ের বিচার এ মাটিতেই করা হবে। দেশের মঙ্গলের জন্য বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। তাই জনগণের প্রতি আহ্বান, আসুন সবাই মিলে বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করি।”

বক্তব্যে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সময়কালের উন্নয়নের স্মৃতিচারণ করেন এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যতের উন্নয়ন ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরেন।

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি গত ১০ এপ্রিল নিয়ামতপুরের বুধুরিয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে নিহত দুইজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।