• চট্রগ্রাম রাজনীতি
  • খাগড়াছড়িতে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে সংসদ প্রার্থীদের উন্নয়ন অঙ্গীকার

খাগড়াছড়িতে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে সংসদ প্রার্থীদের উন্নয়ন অঙ্গীকার

প্রকাশিত: ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ , ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ প্রার্থীরা শুক্রবার বিকেলে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বিদ্যুতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন বিকাশ, নারীর ক্ষমতায়ন ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছেন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত অনুষ্ঠানটি বিকেল ৩.৩০টায় খাগড়াছড়ি টাউন হল প্রাঙ্গণে শুরু হয়। সভাপতিত্ব করেন সুজন জেলা কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট নাসির উদ্দীন আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নির্মল কান্তি দাশ। সঞ্চালনা করেন সুজনের ঢাকার কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খাগড়াছড়ি আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, তিনি খাগড়াছড়ির শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করবেন এবং দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেছেন। এছাড়া দুর্নীতিমুক্ত খাগড়াছড়ি গড়ে তোলার ও প্রতিটি পরিবারের আয়ের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী বলেন, তিনি এলাকার দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নির্মূল করতে চান এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবেন।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি নারীদের উন্নয়ন ও নারী-শিশুর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা বলেন, তিনি এলাকার সন্তান হিসেবে খাগড়াছড়ির উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান এবং বিশেষ করে বেকার যুবক, তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কাজ করবেন।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মো. কাউসার, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির উশ্যেপ্রু মারমা, গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রোয়াজা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. নুর ইসলাম এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. মোস্তাফা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ১০ জন প্রার্থীই পাহাড়ি অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।