• চট্রগ্রাম দেশজুড়ে
  • ত্রিপুরা কল্যাণ ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও মিরসরাই ইপিজেড উপশাখার কমিটি গঠন

ত্রিপুরা কল্যাণ ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও মিরসরাই ইপিজেড উপশাখার কমিটি গঠন

প্রকাশিত: ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ , ২৬ জুলাই ২০২৫, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 10 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

চট্টগ্রাম মহানগর ত্রিপুরা কল্যাণ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও মিরসরাই উপজেলা ইপিজেড শাখার উপশাখা কমিটি গঠন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গতকাল শুক্রবার (২৫জুলাই) নগরীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জুয়েল ত্রিপুরা এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রকি ত্রিপুরা।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের অবসরপ্রাপ্ত উপ-মহাব্যবস্থাপক দীনময় রোয়াজা। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা এবং উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি সুরেশ বরণ ত্রিপুরা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ নূর আলম, সভাপতি, মিরসরাই উপজেলা প্রেসক্লাব; হরি সাধন বৈষ্ণব, সভাপতি, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ (রামগড় উপজেলা শাখা); সুরজিত ত্রিপুরা, হেডম্যান, ১৮৮নং খেদাছড়া মৌজা; ধন রঞ্জন ত্রিপুরা, সভাপতি, ত্রিপুরা স্টুডেন্ট্‌স ফোরাম বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখা; লিটন ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক, ত্রিপুরা স্টুডেন্ট্‌স ফোরাম বাংলাদেশ, রামগড় শাখা; জুনিয়া ত্রিপুরা, সমন্বয়ক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম চট্টগ্রাম জেলা শাখা সহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ত্রিপুরা সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি প্রশিক্ষণ, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তারা ত্রিপুরা কল্যাণ ফোরামের কার্যক্রমকে একটি অরাজনৈতিক, সমাজ সচেতনতামূলক উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রথম অধিবেশন শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এরপর শুরু হয় দ্বিতীয় অধিবেশন, যেখানে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট মিরসরাই উপজেলা ইপিজেড উপশাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে অনিল ত্রিপুরাকে সভাপতি, দিপু ত্রিপুরাকে সাধারণ সম্পাদক এবং মিজন ত্রিপুরাকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

নতুন কমিটির সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান গেস্ট অব অনার বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। প্রধান অতিথি ও অতিথিরা পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পরে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেয় আয়োজকেরা।

অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা রিনায়-রিসা পরিধান করে ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।